প্রসিদ্ধ টেলিভিশন ও রিয়েলিটি শো অভিনেত্রী নিমৃত কৌর আহলুয়ালিয়া পাঞ্জাবি চলচ্চিত্র শাউনি সারদারকে তার বড় পর্দার debut হিসেবে ঘোষণা করেছেন। ছবিটি ১৬ মে ২০২৫-এ থিয়েটারে আসবে এবং এই তারিখটি তার সামাজিক মিডিয়া পোস্টে প্রকাশিত হয়েছে। পোস্টের সঙ্গে ছবির অফিসিয়াল পোস্টারও প্রকাশিত হয়, যা দর্শকদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে।
শাউনি সারদার পাঞ্জাবি সঙ্গীত জগতের দুই বিশাল নক্ষত্র গুরু রন্ধওয়া ও ববু মানকে প্রধান চরিত্রে নিয়ে গড়ে উঠেছে, যেখানে নিমৃত কৌর আহলুয়ালিয়াও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। ছবির দায়িত্বে আছেন দিরেজ কেদারনাথ রাট্টান, যিনি পাঞ্জাবের সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও আত্মার ওপর ভিত্তি করে একটি শক্তিশালী গল্পের পরিকল্পনা করেছেন।
নিমৃতের সামাজিক মিডিয়া পোস্টে তিনি এই প্রকল্পকে তার ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে ছবির শুটিং প্রক্রিয়া তাকে শিখন, বিকাশ ও কৃতজ্ঞতার অনুভূতি দিয়েছে এবং গুরু রন্ধওয়া ও ববু মানের সঙ্গে কাজ করা তার জন্য স্বপ্নের মতো একটি অভিজ্ঞতা ছিল।
অভিনেত্রী আরও জানান যে শাউনি সারদার পাঞ্জাবি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত, যা তাকে ব্যক্তিগতভাবে স্পর্শ করে। তিনি বিশ্বাস করেন যে এই গল্পটি দর্শকদের হৃদয়ে গভীর সংযোগ গড়ে তুলবে এবং পাঞ্জাবের রঙিন ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেবে।
প্রকাশিত পোস্টারে ছবির সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক রঙ ও আকর্ষণীয় কাহিনীর ইঙ্গিত স্পষ্টভাবে দেখা যায়। পোস্টারটি পাঞ্জাবের ঐতিহ্যবাহী পোশাক, সুর ও নৃত্যের ছোঁয়া বহন করে, যা দর্শকদের মধ্যে প্রত্যাশা বাড়িয়ে তুলেছে।
ফিল্মের মুক্তির তারিখ নির্ধারিত হওয়ায় সিনেমা হলের বুকিং দ্রুত পূর্ণ হতে পারে বলে শিল্পের বিশেষজ্ঞরা পূর্বাভাস দিয়েছেন। পাঞ্জাবি চলচ্চিত্রের উত্সাহী ভক্তরা ইতিমধ্যে তারিখটি তাদের ক্যালেন্ডারে চিহ্নিত করে রেখেছেন এবং বড় পর্দায় এই নতুন গল্প দেখার জন্য অপেক্ষা করছেন।
নিমৃতের প্রকাশ্য মন্তব্যে তিনি দর্শকদেরকে তারিখটি সংরক্ষণ করতে এবং থিয়েটারে উপস্থিত হয়ে এই প্রেমের ফলাফল উপভোগ করতে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে এই চলচ্চিত্রটি তার জন্য একটি ‘ল্যাবর অফ লাভ’ এবং তিনি সকলকে এই যাত্রার অংশ হতে দেখতে চান।
শাউনি সারদার পাঞ্জাবের সংস্কৃতি, সঙ্গীত ও মানবিক মূল্যবোধকে একত্রিত করে একটি সমৃদ্ধ সিনেমাটিক অভিজ্ঞতা প্রদান করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ছবির মুক্তি পাঞ্জাবি চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং নিমৃতের বড় পর্দার debut হিসেবে একটি স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হবে।



