20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতি১.৫৩ মিলিয়ন ভোটার অনলাইন পোস্টাল ভোটের জন্য নিবন্ধন, নির্বাচন প্রস্তুতিতে ত্বরান্বিত পদক্ষেপ

১.৫৩ মিলিয়ন ভোটার অনলাইন পোস্টাল ভোটের জন্য নিবন্ধন, নির্বাচন প্রস্তুতিতে ত্বরান্বিত পদক্ষেপ

চিফ অ্যাডভাইজারের প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলমের মতে, অনলাইন মাধ্যমে পোস্টাল ভোটের জন্য নিবন্ধন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ১.৫৩৩৬৮২ ভোটার নাম নিবন্ধিত হয়েছে। এই সংখ্যা দেশের অভ্যন্তরীণ ও বিদেশে বসবাসকারী নাগরিকদের সমন্বয়ে গঠিত, যা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।

নিবন্ধন শেষ হওয়ার সময়সীমা আজ রাতেই শেষ হবে, আর এর মধ্যে ৭৬১,১৪০ ভোটার দেশীয়, প্রধানত নির্বাচন সংক্রান্ত দায়িত্বে নিযুক্ত কর্মচারী। বাকি ভোটাররা বিদেশে বসবাসকারী বাংলাদেশি, যাঁরা পোস্টাল ভোটের মাধ্যমে দেশে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।

শফিকুল আলম উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিনের অভিবাসী ভোটের অভিজ্ঞতা থাকা দেশগুলোতে গড়ে প্রায় দুই শতাংশই বিদেশি ভোটারকে অন্তর্ভুক্ত করে। তবে বাংলাদেশের প্রথম বছরে এই হার পাঁচ শতাংশেরও বেশি পৌঁছেছে, যা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

পোস্টাল ব্যালটের বিতরণ ২১ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে, যখন চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশিত হবে। এরপর ভোটাররা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের ভোটপত্র পেয়ে ভোট দিতে পারবে।

ভোটার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সরকার দশটি ইলেকশন ক্যারাভান বাস চালু করেছে, প্রতিটি ক্যারাভানে দশটি গাড়ি রয়েছে। এই সংখ্যা শীঘ্রই দ্বিগুণ করে ২০টি ক্যারাভানে বৃদ্ধি করা হবে, যাতে দেশের ৪৯৫টি উপজেলা, দূরবর্তী ও দ্বীপাঞ্চলসহ, সবখানে পৌঁছানো যায়।

ক্যাম্পেইন কার্যক্রম ৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে, যা ভোটারদের পোস্টাল ভোটের প্রক্রিয়া ও সময়সীমা সম্পর্কে জানাবে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, আন্সার, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ও কোস্ট গার্ডের প্রায় ৭৫ শতাংশ কর্মী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছে। সিসিটিভি ও বডি ক্যামেরার ব্যবহার সম্পর্কিত প্রশিক্ষণও চলমান, যা ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত শেষ হবে।

গৃহ মন্ত্রণালয় একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সিস্টেম গড়ে তুলছে, এবং উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় ও কেন্দ্রীয় স্তরে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করা হবে। এসব ব্যবস্থা নির্বাচন চলাকালে কোনো ব্যাঘাত ঘটলে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে সহায়তা করবে।

বিপক্ষের কিছু নেতা ও দল নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত তদারকি ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা দাবি করেছেন। তারা ভোটের ফলাফলকে নির্ভরযোগ্য রাখতে স্বতন্ত্র পর্যবেক্ষকদের অংশগ্রহণের পক্ষে মত প্রকাশ করেছে।

সরকারের এই পদক্ষেপগুলো নির্বাচনের পূর্বে ভোটার অংশগ্রহণ বাড়াতে এবং দূরবর্তী এলাকায় ভোটের সুযোগ নিশ্চিত করতে লক্ষ্যভিত্তিক। পোস্টাল ভোটের মাধ্যমে বিদেশি ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়িয়ে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করা হবে।

প্রার্থীর তালিকা প্রকাশের পর পোস্টাল ব্যালটের বিতরণ শুরু হবে, এবং ভোটাররা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তাদের ভোট জমা দিতে পারবে। এই প্রক্রিয়া পুরো দেশের নির্বাচন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত।

সামগ্রিকভাবে, অনলাইন নিবন্ধনের বিশাল সাড়া এবং সরকারী প্রস্তুতির ত্বরান্বিত গতি দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে আধুনিকায়ন এবং বৈশ্বিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments