শিলিগুড়িতে বসবাসরত এক বাংলাদেশি নারী বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর তার প্রেমিকের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেন; পুলিশ রাকেশ রায়কে গ্রেফতার করে এবং মামলার তদন্ত চালু করেছে।
মহিলাটি পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি শহরে প্রেমের উদ্দেশ্যে আসেন এবং প্রায় দুই বছর ধরে রাকেশ রায়ের সঙ্গে পরিচিত ছিলেন। উভয়ের সম্পর্কের সময়কালে তারা একাধিকবার একসঙ্গে দেখা হয়েছে বলে জানা যায়।
রাকেশ রায়ের সঙ্গে পরিচয় গড়ে ওঠার পর, বাংলাদেশি নারী বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা ব্যবহার করে ভারতে প্রবেশ করেন। শিলিগুড়িতে তার অবস্থানকালে দুজনকে বিভিন্ন সময়ে একসঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।
বিবাহের প্রস্তাবের বিষয়টি উত্থাপিত হলে রাকেশ রায়ের আপত্তি প্রকাশ পায়। অভিযোগ অনুসারে, প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর রাকেশ রায় নারীকে হুমকি ও হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত হন।
মহিলার ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তিনি নিজের দেশে ফিরে যান। তবে নতুন ভিসা পেয়ে পুনরায় শিলিগুড়ি ফিরে আসেন, যেখানে তিনি রাকেশ রায়কে খুঁজে পান না এবং শেষ পর্যন্ত স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
ভক্তিনগর থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার পর পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে। অভিযোগের ভিত্তিতে রাকেশ রায়ের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক মামলা দায়ের করা হয় এবং তাকে আটক করা হয়।
রাকেশ রায়কে ৫ জানুয়ারি, সোমবার, গ্রেফতার করা হয় এবং বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে আছেন। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির হেফাজত আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, রাকেশ রায়ের হেফাজতকালীন অবস্থায় তাকে আদালতে তোলা হয়েছে এবং মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে তথ্য প্রদান করা হয়েছে।
অধিক তদন্তের অংশ হিসেবে, পুলিশ রাকেশ রায়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো ব্যক্তি আছে কিনা, অভিযোগের সত্যতা এবং সম্ভাব্য অন্য কোনো অপরাধমূলক দিক রয়েছে কিনা তা যাচাই করছে।
শিলিগুড়ি মহকুমা জুড়ে এই ঘটনার ফলে স্থানীয় জনগণের মধ্যে উদ্বেগের স্রোত দেখা দিয়েছে, তবে কর্তৃপক্ষ আইনগত প্রক্রিয়ার অনুসরণে অগ্রসর হয়েছে।
বিবাহের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া এই মামলাটি সম্পর্কিত পক্ষগুলোর মধ্যে পারস্পরিক মতবিরোধের একটি উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং তদন্তের ফলাফল ভবিষ্যতে অনুরূপ ঘটনা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।



