27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাশিবিরের ভিপি প্রার্থীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে

শিবিরের ভিপি প্রার্থীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে

৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার সকাল দশটা পনেরো মিনিটের দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল গেটের বাইরে ভোট গ্রহণের সময় রিয়াজুল ইসলামের ভিপি প্রার্থীর স্ত্রী মহিমা আক্তারকে হেনস্তার শিকার হওয়ার অভিযোগ জানানো হয়। তিনি “অদম্য জবিয়ান ঐক্য” প্যানেলের ভিপি প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। ঘটনাটি জকসু (কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ) নির্বাচনের ভোটগ্রহণের সময় ঘটেছে।

মহিমা আক্তার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের সদ্য স্নাতক। তিনি হিজাব ও মুখের মাস্ক পরিহিত অবস্থায় ক্যাম্পাসের বাইরে ভোটের প্রচার করছিলেন। একই সময়ে কিছু ছাত্র তার পরিচয় জানতে চেয়ে হিজাব ও মাস্ক খুলতে বলায় উত্তেজনা বাড়ে।

দর্শকরা জানান, কিছু ছাত্র তার পরিচয় জানার পর হিজাব ও মাস্ক খুলতে বলায় পরিস্থিতি তীব্র হয়ে ওঠে। তৎক্ষণাৎ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মহিমাকে নিরাপদে বের করে কোতোয়ালি থানা নিয়ে যায়। পুলিশ উপস্থিতি ছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

মহিমা আক্তার দাবি করেন, তিনি ক্যাম্পাসের বাইরে শান্তিপূর্ণভাবে দাঁড়িয়ে ছিলেন, তবে ছাত্রদলের কিছু কর্মী তার হিজাব ও মাস্ক খুলতে জোর করে হেনস্তা করার চেষ্টা করেছে। তিনি বলেন, এই কাজ তাকে মানসিকভাবে আঘাত করেছে এবং তিনি আইনি পদক্ষেপ নিতে ইচ্ছুক।

রিয়াজুল ইসলামও একই দৃষ্টিকোণ থেকে মন্তব্য করে জানান, তার স্ত্রী প্যানেলের কাজ করছিলেন এবং ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা সেখানে ধাক্কা-ধাক্কি শুরু করেন। তবে ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফিন এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন এবং ঘটনাটিকে মিথ্যা দাবি হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।

কোতোয়ালি থানা ওয়াইস কমিশনার (ওসি) জানান, হেনস্তার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি; বরং এক প্রাক্তন শিক্ষার্থী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন বলে শিক্ষকরা জানিয়ে দিলে পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক জানান, অভিযোগ উঠার সঙ্গে সঙ্গে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এই জকসু নির্বাচনে মোট ১৬,৬৪৫ ভোটার অংশগ্রহণ করছেন এবং ভোটগ্রহণ সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত চলবে। কেন্দ্রীয় সংসদের ২১টি পদের জন্য চারটি প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সঙ্গে মোট ১৫৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

প্রধান লড়াই দুইটি প্যানেলের মধ্যে হবে, যেগুলো ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সমর্থন পেয়েছে। নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সকল পক্ষকে আইনগত সীমা মেনে চলতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

পাঠকগণকে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, ভোটের সময় ব্যক্তিগত বিরোধে জড়িয়ে না গিয়ে মূল বিষয়—শিক্ষা নীতি ও উন্নয়ন—মধ্যে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করতে। ক্যাম্পাসের নিয়ম মেনে চলা এবং শান্তিপূর্ণ ভোটদান নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments