19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধযশোরের মানিরামপুরে বরফ কারখানার মালিক রানা প্রতাপ বায়রাগি গুলি করে নিহত

যশোরের মানিরামপুরে বরফ কারখানার মালিক রানা প্রতাপ বায়রাগি গুলি করে নিহত

যশোরের মানিরামপুর উপজেলা, কোপালিয়া বাজারে সন্ধ্যা প্রায় ৬টা ৩০ মিনিটে ৩৮ বছর বয়সী রানা প্রতাপ বায়রাগি গুলি করে নিহত হয়েছেন। বায়রাগি আরুয়া গ্রাম, কেশবপুর উপজেলার বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি বরফ কারখানার মালিক ছিলেন।

মৃতদেহের পরিচয় পুলিশ অফিসার রজিউল্লাহ খান নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, শিকারের মাথায় একাধিক গুলি করা হয় এবং অপরাধীরা গুলি করার পর সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। গুলির সঠিক সংখ্যা ও গুলি করার পদ্ধতি তদন্তের অধীনে।

মণোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অখতার ফারুকের মতে, সন্ধ্যাবেলা কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তি রানা বায়রাগিকে তার কারখানা থেকে বের করে নিয়ে গিয়ে কাছাকাছি গলিতে নিয়ে গিয়ে গুলি করে। তিনি বলেন, গুলি করা হয় পয়েন্ট-ব্যাক রেঞ্জে, ফলে শিকারের প্রাণ তৎক্ষণাৎ ছিনিয়ে যায়।

একজন সাক্ষী জানান, গুলিবর্ষকদের একটি মোটরসাইকেল ব্যবহার করে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। তারা রানা বায়রাগিকে তার দোকান থেকে বের করে নিয়ে গিয়ে সংক্ষিপ্ত কথোপকথনের পর গুলি চালায়। গুলি করার পর গাড়ি চালিয়ে দ্রুতই সরে যায়।

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে মৃতদেহ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মরগে পাঠায় অটোপসি করার জন্য। অটোপসির ফলাফল ও গুলির সঠিক দিক নির্ধারণের জন্য ফরেনসিক বিশ্লেষণ চালু রয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, এই হত্যাকাণ্ডটি সম্ভবত ব্যবসায়িক বিরোধের ফলে ঘটেছে। রানা বায়রাগি তার বরফ কারখানার ব্যবসা সম্প্রসারণ ও সরবরাহ চেইন সংক্রান্ত কিছু সমস্যায় জড়িয়ে ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য এখনো প্রকাশিত হয়নি।

মানিরামপুর থানা অফিসার ইন-চার্জ রজিউল্লাহ খান জানান, গুলিবর্ষকদের সনাক্তকরণের জন্য স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ব্যাপক সমন্বয় করা হচ্ছে। গুলি চালানোর সময় গাড়ি ও গুলিবর্ষকদের বর্ণনা সংগ্রহের জন্য বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে।

পুলিশের মতে, গুলিবর্ষকদের চিহ্নিত করতে সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড এবং গ্যাংসের সম্ভাব্য তালিকা পরীক্ষা করা হবে। এছাড়া, মৃতদেহে পাওয়া গুলির ক্যালিবার ও গুলি দাগের বিশ্লেষণও তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে তদন্ত দ্রুততর করার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো সন্দেহভাজন গ্রেফতার হলে আদালতে আনতে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

এই ঘটনার পর মানিরামপুর এলাকার ব্যবসায়িক সম্প্রদায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার দাবি জানিয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়েছে।

অধিক তথ্য সংগ্রহ ও তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পরবর্তী সময়ে আপডেট দেওয়া হবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments