27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধচট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের দশজন পুলিশ কর্মকর্তা জব্দ করা যাবা ট্যাবলেটের হেরফেরে শাসনবিচার...

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের দশজন পুলিশ কর্মকর্তা জব্দ করা যাবা ট্যাবলেটের হেরফেরে শাসনবিচার থেকে বাদ পড়ে

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) ও কক্সবাজার জেলা পুলিশের দশজন কর্মকর্তা জব্দ করা এক লাখেরও বেশি যাবা ট্যাবলেটের হেরফেরে শাসনবিচার থেকে বাদ পড়েছেন। এই পদক্ষেপটি একক সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পর সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজের কাছে জমা দেওয়ার পর নেওয়া হয়েছে।

যাবা ট্যাবলেটগুলো ৮ই ডিসেম্বর চট্টগ্রামের বাকালিয়া এলাকায় একটি চেকপয়েন্টে একটি পুলিশ কনস্টেবল থেকে উদ্ধার করা হয়। ট্যাবলেটের পরিমাণ ও ধরণ অনুসারে তা প্রায় এক লাখ ট্যাবলেটের সমান বলে অনুমান করা হচ্ছে।

তদন্তে প্রকাশ পেয়েছে যে, শাসনবিচার থেকে বাদ পড়া কর্মকর্তাদের মধ্যে নয়জন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সদস্য এবং একজন কক্সবাজার জেলা পুলিশের কনস্টেবল অন্তর্ভুক্ত। কক্সবাজারের কনস্টেবলকে কক্সবাজার জেলা পুলিশ শাসনবিচার থেকে বাদ দিয়েছে।

শাসনবিচার থেকে বাদ পড়া কর্মকর্তাদের নাম নিম্নরূপ: ইন্সপেক্টর (ইনভেস্টিগেশন) তানভীর হোসেন, সাব-ইন্সপেক্টর মো. আল আমিন সরকার, সাব-ইন্সপেক্টর মো. আমির হোসেন, সহকারী সাব-ইন্সপেক্টর সাইফুল আলম, জিয়ুর রহমান, সাদ্দাম হোসেন, এনামুল হক, এবং কনস্টেবল রাশেদুল হাসান, উম্মে হাবিবা স্বপ্না, ইমতিয়াজ হোসেন সাওরাভ।

কনস্টেবল ইমতিয়াজ হোসেন সাওরাভ, যিনি কক্সবাজার জেলা পুলিশের সদস্য এবং একজন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের গনম্যান, কক্সবাজার থেকে ঢাকা পর্যন্ত যাবা ট্যাবলেট বহন করার অভিযোগে শাসনবিচার থেকে বাদ পড়েছেন।

বাকি নয়জন কর্মকর্তা তখন বাকালিয়া থানা-এ দায়িত্বে ছিলেন। তদন্তের পর সাব-ইন্সপেক্টর আমির হোসেন ও সহকারী সাব-ইন্সপেক্টর সাদ্দাম হোসেনকে কোটওয়ালি থানায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

শাসনবিচার থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের পেছনে সিএমপি অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) ওয়াহিদুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত একক সদস্যের কমিটি কাজ করেছে। তিনি সিএমপি কমিশনারকে তাদের ব্যক্তিগত ভূমিকা ও দায়িত্বের বিশদ প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।

শাসনবিচার থেকে বাদ পড়া কর্মকর্তারা এখন বিভাগীয় শাসনবিচার ও আইনি প্রক্রিয়ার অধীন। শাসনবিচার থেকে বাদ দেওয়া একটি প্রশাসনিক শাস্তি, তবে সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য ফৌজদারি দায়িত্বও আরোপিত হতে পারে। তদন্তের ফলাফল অনুযায়ী, প্রাসঙ্গিক আইনি সংস্থাকে মামলাটি হস্তান্তর করা হবে এবং আদালতে যথাযথ শুনানি হবে।

এই ঘটনা পুলিশ বাহিনীর ভিতরে অবৈধ সম্পদের হেরফেরের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে। শাসনবিচার থেকে বাদ দেওয়া কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে কী ধরনের শাস্তি আরোপিত হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়, তবে শাসনবিচার ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা চলবে।

অধিক তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় শাসনবিচার ও আইনি সংস্থার ঘোষণার অপেক্ষা করা হচ্ছে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments