মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর, ভেনেজুয়েলার অস্থায়ী শাসনকে যুক্তরাষ্ট্রের শর্তে আনতে সামরিক হুমকি বাড়িয়ে দিচ্ছেন। ট্রাম্প এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকে ফ্লোরিডা থেকে ওয়াশিংটন যাত্রার সময় জানিয়েছেন, যদি বর্তমান সরকার সহযোগিতা না করে তবে দ্বিতীয় আক্রমণ করা হবে। এই বক্তব্যের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ভেনেজুয়েলায় নতুন সামরিক অভিযান চালানোর সম্ভাবনা রয়েছে। লক্ষ্য হল ভেনেজুয়েলার তেল অবকাঠামো ও কৌশলগত রাস্তায় পূর্ণ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা।
ট্রাম্পের মন্তব্যে স্পষ্ট করা হয়েছে, অতিরিক্ত সামরিক হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত ভেনেজুয়েলার অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রড্রিগেজের পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, যদি রড্রিগেজের সরকার অমান্য করে তবে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া দেখা যাবে। রড্রিগেজকে মাদুরোর চেয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে বলা হয়েছে। মাদুরো ক্ষমতা ত্যাগের পর দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার পরেও তার পতনের গতি দ্রুত ছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের পরামর্শদাতারা রড্রিগেজকে প্রযুক্তিগত দক্ষতা সম্পন্ন প্রশাসক হিসেবে দেখছেন, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রাজনৈতিক পরিবর্তন ও তেল সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে সমঝোতা করতে পারেন। তারা বিশ্বাস করেন, রড্রিগেজের প্রকাশ্য বিরোধের পরেও তিনি গোপনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা রাখতে পারেন। এই সম্ভাব্য সহযোগিতা ভেনেজুয়েলার তেল শিল্পের পুনর্গঠনকে সহজ করতে পারে। তদুপরি, এটি যুক্তরাষ্ট্রের তেল কোম্পানিগুলোর জন্য নতুন বাজার খুলে দিতে পারে।
ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র এবং তার বেসরকারি অংশীদারদের ভেনেজুয়েলার তেল ক্ষেত্র, পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও সেতুতে সম্পূর্ণ প্রবেশাধিকার দরকার। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, এই অবকাঠামোর পুনর্নির্মাণে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের সুযোগ থাকবে। তবে, এ ধরনের প্রবেশাধিকার শুধুমাত্র রড্রিগেজের সরকার সহযোগিতা করলে সম্ভব হবে। অন্যথায়, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হুমকি বাড়বে বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।
ট্রাম্পের বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে



