প্রভাসের নতুন ছবির শিরোনাম ‘দ্যা রাজাসাব’ সম্প্রতি চূড়ান্ত রিলিজের জন্য দৈর্ঘ্য সংক্ষিপ্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চলচ্চিত্রটি মূলত তিন ঘণ্টার বেশি সময়ের পরিকল্পনা ছিল, তবে এখন শেষ রানের সময় প্রায় তিন ঘণ্টার নিচে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। এই পরিবর্তনটি প্রযোজক ও পরিচালক মারুথির যৌথ সিদ্ধান্তের ফলাফল।
‘দ্যা রাজাসাব’কে বিশাল স্ক্রিনে দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণকারী একটি পূর্ণাঙ্গ বিনোদন হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। প্রচারাভিযানে ছবিটিকে ‘ম্যাস এন্টারটেইনমেন্ট’ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে এবং দর্শকদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য রাখা হয়েছে। এই প্রচারাভিযান ছবির প্রত্যাশা বাড়িয়ে তুলেছে।
প্রাথমিক পরিকল্পনায় চলচ্চিত্রের মোট সময়কাল তিন ঘণ্টার উপরে রাখার কথা ছিল, যা সাম্প্রতিক বছরগুলিতে কিছু বড় বাজেটের ছবির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। উদাহরণস্বরূপ, ‘ধুরন্ধর’ মতো চলচ্চিত্রগুলো তিন ঘণ্টার বেশি সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছিল। তবে ‘দ্যা রাজাসাব’ের ক্ষেত্রে সময়সীমা পুনর্বিবেচনা করা হয়।
শেষ রানের সময়কে প্রায় তিন ঘণ্টার নিচে নামিয়ে আনতে মোট ১৫ থেকে ২০ মিনিটের অংশ কেটে ফেলা হয়েছে। এই কাটছাঁটের ফলে ছবির মূল কাঠামো ও গল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সময়ের পরিমাণ কমানো সম্ভব হয়েছে। কাটার কাজটি সম্পাদনা কক্ষে সম্পন্ন হয়েছে এবং এখনো চূড়ান্ত রূপে রয়েছে।
প্রভাস এবং পরিচালক মারুথি উভয়ই বিশ্বাস করেন যে সংক্ষিপ্ত সময়ে দর্শকের মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হবে। তাদের মতে, দীর্ঘ সময়ের চেয়ে সংক্ষিপ্ত ও তীক্ষ্ণ রিলিজটি দর্শকের জন্য বেশি আকর্ষণীয় হবে। তাই তারা স্বেচ্ছায় এই পরিবর্তনটি গ্রহণ করেছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে দর্শকদের প্রত্যাশা কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে, তবে চলচ্চিত্রের মূল আকর্ষণ ও বিনোদনমূলক উপাদান অপরিবর্তিত থাকবে। ছবির গল্প, ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট এবং সঙ্গীতের গুণমান একই রকম থাকবে, শুধুমাত্র সময়ের পরিমাণ কমে যাবে।
বিনোদন শিল্পে দীর্ঘ সময়ের চলচ্চিত্রের প্রবণতা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে, তবে ‘দ্যা রাজাসাব’ এই প্রবণতাকে কিছুটা বিরোধিতা করছে। সময় সংক্ষিপ্ত করার মাধ্যমে চলচ্চিত্রটি আরও বিস্তৃত দর্শকগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্য রাখে। এই কৌশলটি বাজারে নতুন দৃষ্টিকোণ এনে দিতে পারে।
চূড়ান্ত রিলিজের সময় এখন প্রায় দুই ঘণ্টা ও পঞ্চাশ মিনিটের কাছাকাছি নির্ধারিত হয়েছে। এই সময়সীমা দর্শকের জন্য আরামদায়ক ও মনোযোগ বজায় রাখার জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হচ্ছে। চলচ্চিত্রের অন্যান্য প্রযুক্তিগত দিক, যেমন সাউন্ড মিক্স এবং ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট, পূর্বের পরিকল্পনা অনুযায়ীই থাকবে।
‘দ্যা রাজাসাব’ শীঘ্রই বড় পর্দায় প্রকাশিত হবে এবং দর্শকরা এই নতুন রূপে ছবিটি উপভোগ করার সুযোগ পাবে। চলচ্চিত্রের নির্মাতা ও অভিনেতা দল এই পরিবর্তনকে ইতিবাচকভাবে স্বাগত জানিয়েছে এবং দর্শকদের কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া প্রত্যাশা করছে। সিনেমা প্রেমীদের জন্য এই সিদ্ধান্তটি একটি নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে আসবে, যা সময়ের সীমা না বাড়িয়ে পূর্ণাঙ্গ বিনোদন প্রদান করবে।



