22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলারংপুর রাইডার্সের জয়, শেষ ওভারে মুস্তাফিজের বোলিং দলকে থামিয়ে দিল

রংপুর রাইডার্সের জয়, শেষ ওভারে মুস্তাফিজের বোলিং দলকে থামিয়ে দিল

রংপুর রাইডার্স ও ঢাকা ক্যাপিটালসের মধ্যে রবিবার অনুষ্ঠিত বাঙালি প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ম্যাচে রাইডার্স পাঁচ রানের পার্থক্যে জয়লাভ করে। রাইডার্সের বামহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের শেষ ওভারের বোলিংই দলকে জয় নিশ্চিত করতে মূল ভূমিকা রাখে।

মুস্তাফিজুর রহমানের পারফরম্যান্সের চারপাশে ক্রমাগত আলোচনা ও সমালোচনা চললেও, রাইডার্সের অধিনায়ক নুরুল হাসান সোয়াহল জানান তিনি দেশের হয়ে সেরাটা দিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। মাঠে নামলে তিনি নিজের ছন্দে কাটার, স্লোয়ার, বাউন্সার ও ইয়র্কারের সমন্বয় করে বলকে চালিয়ে যান, যেন ধ্যানমগ্ন ঋষি।

ম্যাচে রাইডার্সের পাঁচ ওভারের বোলার মাহমুদুল্লাহকে ম্যান অব দ্য ম্যাচ ঘোষণা করা হয়। তবে শেষের দিকে রাইডার্সের জয় নিশ্চিত করতে মুস্তাফিজের বোলিংই মূল চালিকাশক্তি হয়ে ওঠে। ঢাকা ক্যাপিটালসের শেষ ১৮ বলের মধ্যে ২৫ রান দরকার ছিল, হাতে সাতটি উইকেট। আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এ ধরনের চাহিদা সাধারণত সহজে পূরণ হয়, কিন্তু মুস্তাফিজের গতি ও পরিবর্তনশীলতা ঢাকার পরিকল্পনাকে ব্যাহত করে।

১৮তম ওভারে মুস্তাফিজ মাত্র দুই রানই দেন এবং ওভারের শেষ বলেই বিপজ্জনক শামীম হোসেনকে আউট করেন। শামীমের আউট হওয়ার পর রাইডার্সের আকিফ জাভেদ ১৩ রান সংগ্রহ করে, ফলে শেষ ওভারে ঢাকা ক্যাপিটালসকে মাত্র দশ রানই চাওয়া থাকে।

শেষ ওভারে ঢাকা ক্যাপিটালসের অপ্রতিদ্বন্দ্বী পাঁচ উইকেটের মাহমুদুল্লাহ ও আক্রমণাত্মক সাব্বির রহমান দুজনেই বড় শট খেলতে পারেননি। মুস্তাফিজের নিখুঁত বোলিংয়ে ওই ওভারে মাত্র চারটি সিঙ্গল এবং দুটি ডট বল দেখা যায়। শেষ দুই ওভারে তিনি মোট ছয় রানই দেন, ফলে ঢাকা ক্যাপিটালসের শিকড় শেষ হয়ে যায়।

ওভার শেষের মুহূর্তে রাইডার্সের অধিনায়ক সোয়াহল তার মুখে বিরক্তি লক্ষ্য করা যায়, তবে ওভার শেষের সঙ্গে সঙ্গে তার মুখে প্রশস্ত হাসি ফুটে ওঠে। তিনি পরে মুস্তাফিজকে “বিশ্বমানের বোলার” বলে প্রশংসা করেন এবং বলেন, তার পারফরম্যান্সের জন্য আর কিছু বলার প্রয়োজন নেই; তিনি সবসময় দর্শকদের মুগ্ধ করেন।

সাম্প্রতিক সময়ে মুস্তাফিজের জন্য বড় ধাক্কা ছিল ইনডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) থেকে বাদ পড়া। বাংলাদেশি দল ৯ কোটি ২০ লাখ রুপির চুক্তি নিয়ে তাকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের ফ্র্যাঞ্চাইজিতে সুযোগ দিয়েছিল, যেখানে তার ফর্ম চমৎকার ছিল। তবে সুযোগ না পেয়ে তিনি হতাশা প্রকাশ করেননি, বরং ভবিষ্যতে আরও ভালো পারফরম্যান্সের লক্ষ্য রাখছেন।

মুস্তাফিজের এই জয় এবং শেষ ওভারের দৃঢ়তা রাইডার্সের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দলটি এখন পরবর্তী বিপিএল ম্যাচের প্রস্তুতিতে মনোনিবেশ করেছে, যেখানে মুস্তাফিজের বোলিং আবারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments