27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষা২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই সরবরাহে ৮৪.৭৮% অগ্রগতি এনসিটিবি জানাল

২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই সরবরাহে ৮৪.৭৮% অগ্রগতি এনসিটিবি জানাল

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য নির্ধারিত মোট ৩০ কোটি ২ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৪টি পাঠ্যবইয়ের প্রিন্টিং ও বিতরণে এখন পর্যন্ত ৮৪.৭৮ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে। এই তথ্য শনিবার পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়েছে।

বছরের শুরুতে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের জন্য নির্ধারিত ৮ কোটি ৫৯ লাখ ৩০ হাজার ৮৮০টি বই সম্পূর্ণ মুদ্রণ শেষে বিজয় দিবসের আগে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেওয়া হয়। ফলে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রাথমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থী এবং পাঁচটি ভাষায় মুদ্রিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বইগুলো হাতে পেয়ে গেছেন।

ইবতেদায়ি (প্রারম্ভিক শৈশব) এবং ব্রেইল পদ্ধতির পাঠ্যবই সরবরাহের কাজও প্রায় শতভাগের কাছাকাছি পৌঁছেছে। এনসিটিবি জানাচ্ছে যে, অবশিষ্ট কাজগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হবে।

মাধ্যমিক (ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি) এবং ইবতেদায়ি স্তরের জন্য বর্তমানে ২১ কোটি ৪৩ লাখ ২৪ হাজার ২৭৪টি বই চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এই স্তরের বইগুলোর মধ্যে ৮৮.৫০ শতাংশ মুদ্রণ শেষ হয়েছে এবং ৮১.৬০ শতাংশের প্রি-ডেলিভারি ইন্সপেকশন সম্পন্ন হয়েছে।

বই সরবরাহের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত মোট ৭৮.৬৯ শতাংশ বই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। স্তরভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ইবতেদায়ি স্তরে ৯৬.১৬ শতাংশ, নবম শ্রেণিতে ৮৭.৯৬ শতাংশ, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ৮৫.৬১ শতাংশ, সপ্তম শ্রেণিতে ৬৮.৬৯ শতাংশ এবং অষ্টম শ্রেণিতে ৫৪.৭৬ শতাংশ বই বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে।

অনলাইন পাঠ্যবইয়ের প্রাপ্যতা বাড়াতে এনসিটিবি তার ওয়েবসাইটে সব স্তরের মোট ৬৪৭টি বইয়ের ডিজিটাল সংস্করণ ২৮ ডিসেম্বর আপলোড করেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সহজে পাঠ্যবইয়ের বিষয়বস্তু অ্যাক্সেস করতে পারবে।

মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকলেও, পরিকল্পনা ও তদারকির যথাযথ ব্যবস্থাপনা দিয়ে এনসিটিবি আশা করছে যে, ১৫ জানুয়ারির মধ্যে মাধ্যমিক ও কারিগরি স্তরের বাকি সব বই সরবরাহ নিশ্চিত করা যাবে।

এ পর্যন্ত সরবরাহের অগ্রগতি এবং অনলাইন সংস্করণের আপলোড শিক্ষকদের এবং শিক্ষার্থীদের জন্য সময়মতো পাঠ্যবই পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও দূরবর্তী এলাকায় ইন্টারনেটের মাধ্যমে বইয়ের অ্যাক্সেস সহজ হবে।

শিক্ষা ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পাঠ্যবইয়ের সময়মতো সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এনসিটিবি উল্লেখ করেছে যে, বাকি বইগুলো দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য অতিরিক্ত মুদ্রণ ক্ষমতা এবং লজিস্টিক সমর্থন বাড়ানো হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের জন্য এই অগ্রগতি মানে নতুন শিক্ষাবর্ষে পাঠ্যবইয়ের ঘাটতি না হওয়া এবং শিক্ষার গুণগত মান বজায় রাখা। বিশেষ করে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষায় মুদ্রিত বইগুলো তাদের মাতৃভাষায় শিক্ষার সুযোগ বাড়াবে।

পাঠ্যবইয়ের অনলাইন সংস্করণ ব্যবহার করতে ইন্টারনেট সংযোগযুক্ত যেকোনো ডিভাইস থেকে এনসিটিবি’র ওয়েবসাইটে লগইন করে ডাউনলোড করা যায়। এই সুবিধা ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা ক্লাসের আগে বা পরে বিষয়বস্তু পুনরায় দেখতে পারবে।

**প্রায়োগিক টিপ:** যদি আপনার বিদ্যালয়ে এখনও বই না পৌঁছায়, তবে এনসিটিবি’র অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার শ্রেণি ও বিষয়ের অনলাইন সংস্করণ ডাউনলোড করে ব্যবহার করুন; এছাড়া বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সরবরাহের অবস্থা সম্পর্কে জানিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করুন।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments