বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ১৫ সদস্যের আইসিসি টি২০ বিশ্বকাপ দলে টাসকিন আহমেদকে অন্তর্ভুক্ত করেছে, যা তার আন্তর্জাতিক টি২০ ক্যারিয়ারের পুনরায় সূচনা নির্দেশ করে। একই সময়ে, পূর্বে দলের সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে উল্লেখিত জাকারকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
টাসকিন, ডানহাতি দ্রুতগামী পেসার, পূর্বে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে দলের মূল শুটার হিসেবে কাজ করেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি আঘাত ও ফিটনেস সমস্যার কারণে আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে অনুপস্থিত ছিলেন, তবে এখন পুনরুদ্ধার সম্পন্ন করে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন।
বিসিবি কর্তৃক প্রকাশিত ১৫ জনের দলে টাসকিনের পাশাপাশি অন্যান্য অভিজ্ঞ ও তরুণ খেলোয়াড়দের সমন্বয় করা হয়েছে। যদিও পুরো তালিকা প্রকাশিত হয়নি, দলে ব্যাটিং ও বোলিং উভয় দিকের ভারসাম্য বজায় রাখতে বিভিন্ন শাখার খেলোয়াড় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
টাসকিনের ফিরে আসা বাংলাদেশের পেসার আক্রমণে অভিজ্ঞতা ও গতি যোগ করবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন। তার পূর্বের পারফরম্যান্সে দেখা গিয়েছে, সীমিত ওভারের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেওয়ার ক্ষমতা, যা টি২০ ফরম্যাটে দলকে গেম পরিবর্তনকারী মুহূর্ত দিতে পারে।
অন্যদিকে, জাকারকে দলে না রাখার সিদ্ধান্তের পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ প্রকাশ করা হয়নি। যদিও তিনি সাম্প্রতিক ডোমেস্টিক লিগে ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন, তবে নির্বাচনী কমিটির দৃষ্টিতে তিনি বর্তমান কৌশলগত প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হতে পারেন।
বাংলাদেশের টি২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি এখনো চলমান, এবং দলটি শীঘ্রই প্রথম ম্যাচের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করবে। টুর্নামেন্টের সূচি ও প্রতিপক্ষের তালিকা ইতিমধ্যে নির্ধারিত, তবে দলে নতুন সংযোজনের সঙ্গে কৌশলগত পরিকল্পনা কীভাবে গড়ে উঠবে তা এখনো স্পষ্ট নয়।
কোচিং স্টাফের মতে, টাসকিনের অন্তর্ভুক্তি পেসার ইউনিটকে শক্তিশালী করবে এবং ব্যাটিং লাইনআপকে অতিরিক্ত সমর্থন দেবে। তিনি বলছেন, টাসকিনের অভিজ্ঞতা ও গতি দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্সে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
ভক্ত ও বিশ্লেষকরা এখন দলের চূড়ান্ত রোস্টার ও কৌশল নিয়ে আলোচনা করছেন, এবং টাসকিনের ফিরে আসা নিয়ে আশা প্রকাশ করছেন যে তিনি দ্রুত ফর্মে ফিরে এসে দেশের সাফল্যে অবদান রাখবেন। টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের অপেক্ষা বাড়ছে, এবং বাংলাদেশি ভক্তরা নতুন দলে প্রত্যাশা নিয়ে উচ্ছ্বসিত।



