মালি জাতীয় দল পেনাল্টি শুট‑আউটে তিউনিসিয়াকে ৩-২ গোলে পরাজিত করে আফ্রিকা কাপ অফ নেশনসের কোয়ার্টার ফাইনালে স্থান নিশ্চিত করেছে। পরবর্তী ম্যাচে ২০২১ সালের চ্যাম্পিয়ন সেনেগালের মুখোমুখি হবে দলটি, যা আগামী শুক্রবার নির্ধারিত।
সময়সূচি অনুযায়ী ম্যাচটি শূন্য-শূন্য স্কোরে শেষ হয়, তবে ৮৮তম মিনিটে তিউনিসিয়ার ফরোয়ার্ড ফিরাস চাউয়াতের হেডার গোলকিপারের ডান হাতে আঘাত পেয়ে জালে ঢুকে তিউনিসিয়াকে এক গোলের সুবিধা দেয়। সেই মুহূর্তে উভয় দলে উত্তেজনা শীর্ষে পৌঁছায়।
গেমের শেষের দিকে যোগ সময়ের ছয় মিনিটে তিউনিসিয়ার ডিফেন্ডার ইয়াসিন মেরিয়ার বক্সের মধ্যে বল হাতে স্পর্শ করে, ফলে রেফারিরা পেনাল্টি ঘোষণা করে। এই সিদ্ধান্তই ম্যাচের রূপান্তরের সূচনা করে।
পেনাল্টি শুট‑আউটের প্রথম তিনটি শটে তিউনিসিয়া দুইটি সফল করে, আর মালি মাত্র একটি করে গড়ে তোলার ফলে তিউনিসিয়া ২-১ গোলে অগ্রসর হয়। তবে শুট‑আউটের পরবর্তী দুই শটে মালি গোলকিপার ডিজুগি দিয়ারা দু’টি গুরুত্বপূর্ণ শট আটকে দেয়।
ডিজুগি দিয়ারার এই দু’টি সেভের পর মালি দুইটি পেনাল্টি সফলভাবে সম্পন্ন করে, ফলে শুট‑আউটের স্কোর ৩-২ হয়ে যায় এবং তিউনিসিয়ার সুবিধা শেষ হয়ে যায়। এই মুহূর্তে স্টেডিয়ামের ভিড়ের উল্লাস শোনা যায়।
মালির পেনাল্টি শুট‑আউটের বিজয়কে আশ্চর্যজনক বলা যায়, কারণ নিয়মিত সময়ে দু’দলই গোল না করে সমানভাবে খেলেছে। তবে শেষ মুহূর্তে তিউনিসিয়ার ত্রুটি এবং মালির গোলকিপারের চমৎকার পারফরম্যান্সই ফলাফল নির্ধারণ করে।
কোয়ার্টার ফাইনালে প্রবেশের পর দলটি ২০২১ সালের চ্যাম্পিয়ন সেনেগালের সঙ্গে মুখোমুখি হবে। সেনেগাল, যেটি পূর্বে টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতেছে, তার অভিজ্ঞতা ও শক্তি দিয়ে মালির জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।
এই ম্যাচটি আফকনের অর্ধচূড়ান্ত পর্যায়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ টিকিট, যেখানে উভয় দলই টুর্নামেন্টের শিরোপা জয়ের স্বপ্নে এগিয়ে চলেছে। তিউনিসিয়া, যদিও শুট‑আউটে পরাজিত হয়েছে, তবে তাদের রক্ষণশক্তি ও কৌশল ভবিষ্যতে পুনর্বিবেচনা করা হবে।
মালির কোচ টিমের কৌশলগত পরিবর্তন ও গোলকিপারের আত্মবিশ্বাসকে প্রশংসা করেছে, যদিও সরাসরি উক্তি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। দলটি এখন সেনেগালের বিরুদ্ধে কৌশলগত প্রস্তুতি নিতে মনোযোগী।
আফকনের এই পর্যায়ে প্রতিটি ম্যাচই টুর্নামেন্টের গতি নির্ধারণ করে, এবং মালির এই জয় তাদের আত্মবিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছে। পরবর্তী শুক্রবারের ম্যাচে উভয় দলের পারফরম্যান্স টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত রূপ নির্ধারণ করবে।



