20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিডোনাল্ড ট্রাম্পের ভেনেজুয়েলা ও নাইজেরিয়ায় সামরিক আক্রমণ, ইরানের হস্তক্ষেপের সতর্কতা

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভেনেজুয়েলা ও নাইজেরিয়ায় সামরিক আক্রমণ, ইরানের হস্তক্ষেপের সতর্কতা

ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, শনিবার ভেনেজুয়েলায় ব্যাপক সামরিক আক্রমণ চালানোর আদেশ দেন এবং বামপন্থী নেতা নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতার করে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন। এই পদক্ষেপটি নতুন বছরের প্রথম দিনেই করা হয়, যা পূর্বে ক্রিসমাস দিবসে নাইজেরিয়ায় জিহাদি গোষ্ঠীর ওপর করা আক্রমণের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নাইজেরিয়ার আক্রমণটি, ট্রাম্পের মতে, খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়। একই সময়ে, ট্রাম্প ইরানের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপের বিষয়ে সতর্কতা প্রকাশ করেন, জানান যে ইরানীয় ধর্মীয় নেতারা প্রতিবাদকারীদের হত্যা করলে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্যরা “লকড অ্যান্ড লোডেড” অবস্থায় থাকবে।

প্রেসিডেন্টের এই সামরিক পদক্ষেপগুলো তার শপথের সময়ের শান্তি-প্রতিজ্ঞার সঙ্গে তীব্র বৈপরীত্য সৃষ্টি করেছে। এক বছর আগে তিনি নিজেকে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য বলে দাবি করলেও, তার বর্তমান কর্মকাণ্ডকে বিশ্লেষকরা বিতর্কের বিষয় হিসেবে দেখছেন।

গত বছর জানুয়ারি ২০ তারিখে তার শপথগ্রহণের ভাষণে ট্রাম্প বলেছিলেন, তার সবচেয়ে গর্বের উত্তরাধিকার হবে শান্তি ও ঐক্যের সেতু গড়া। তবে একই সময়ে তিনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে “যুদ্ধ মন্ত্রণালয়” হিসেবে পুনঃনামকরণ করার সিদ্ধান্ত নেন, যা তার নীতি পরিবর্তনের স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়।

পেনসিলভানিয়ার একটি সমাবেশে ট্রাম্প বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি ব্যবহার করে শান্তি অর্জন করা সম্ভব। তিনি এই ধারণা তুলে ধরেন যে সামরিক ক্ষমতা না থাকলে কোনো স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করা কঠিন। তার এই বক্তব্যের সঙ্গে সামরিক অভিযানগুলোর সমন্বয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করে।

ট্রাম্পের পূর্বের অবস্থান ছিল যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপবিরোধী, “আমেরিকা ফার্স্ট” নীতির আওতায় তিনি নিজেকে পূর্বের রিপাবলিকান নেতাদের থেকে আলাদা করে দেখিয়েছেন। তিনি জর্জ ডব্লিউ. বুশের ইরাক আক্রমণকে সমালোচনা করে, তা জাতির স্বার্থের ক্ষতি করে বলে উল্লেখ করেন।

মেইয়ের রিয়াদে একটি বক্তৃতায় ট্রাম্প উল্লেখ করেন, যে “যে জাতি-নির্মাতা প্রকল্পগুলো অধিকাংশ সময়ে দেশকে ধ্বংস করে দেয়, সেগুলোকে পুনরায় বিবেচনা করা দরকার”। তিনি দীর্ঘমেয়াদী সামরিক উপস্থিতি বা প্রতিশ্রুতি না দিয়ে, স্বল্পমেয়াদী শক্তি প্রদর্শনের ওপর জোর দেন।

গত বছর তিনি ইরানের পারমাণবিক সুবিধাগুলোর ওপর বোমা হামলা অনুমোদন করেন, যা ইসরায়েলি আক্রমণের সমর্থনে নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য নীতির পুনঃমূল্যায়নের দরকারীয়তা তুলে ধরে। ভবিষ্যতে ট্রাম্পের সরকার কীভাবে এই সামরিক উদ্যোগগুলোকে রাজনৈতিক কৌশলে রূপান্তর করবে, তা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ বিষয় হয়ে থাকবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments