অ্যাকশে কুমার主演, প্রিয়দর্শন পরিচালিত ‘ভূত বাংলা’ ছবির শুটিং আগামী সপ্তাহে জয়পুরে শুরু হবে। ছবির প্রথম ধাপ মুম্বাইতে গত মাসে শুরু হওয়ার পর এখন রঙিন শহরকে পটভূমি করে নতুন দৃশ্য ধারণ করা হবে। চলচ্চিত্রটি ২ এপ্রিল ২০২৬-এ থিয়েটারে মুক্তি পাবে।
মুম্বাইতে শুটিং শুরু হওয়ার পর ভক্তদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে, কারণ এই জুটি পূর্বে ‘হেরা ফেরি’, ‘ভুল ভুলাইয়া’ ও ‘গরম মাসালা’ মতো হিট ছবিতে কাজ করেছে। তাদের পুনর্মিলনকে নিয়ে দর্শকরা পুনরায় হাসি ও রোমাঞ্চের মিশ্রণ প্রত্যাশা করছেন।
‘ভূত বাংলা’কে হন্টেড হাউস থ্রিলার হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে, তবে এতে কমেডি উপাদান যোগ করা হয়েছে। ছবির কাহিনী ভৌতিক পরিবেশে হাস্যরসের ছোঁয়া এনে দর্শকের মনোযোগ ধরে রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পরবর্তী শুটিং পর্যায়ে জয়পুরের বহিরঙ্গন দৃশ্যগুলো ব্যবহার করা হবে। শহরের ঐতিহাসিক স্থাপনা ও রঙিন বাজারকে পটভূমি করে বিভিন্ন দৃশ্য রেকর্ড করা হবে, যা ছবির ভিজ্যুয়াল আকর্ষণ বাড়াবে।
প্রযোজনা কাজটি শোবা কাপুর ও একতা আর. কাপুরের বালাজি টেলিফিল্মস এবং অ্যাকশে কুমারের ক্যাপ অফ গুড ফিল্মস যৌথভাবে পরিচালনা করছে। দু’টি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় ছবির গুণগত মান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে।
কাহিনীর মূল রচয়িতা আকাশ এ. কৌশিক, যিনি গল্পের কাঠামো ও মূল মোড় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার রচনায় ভৌতিক থিমের সঙ্গে হালকা হাস্যরসের সমন্বয় দেখা যায়।
স্ক্রিনপ্লে রচনা রোহন শঙ্কর, অবিলাশ নায়র এবং প্রিয়দর্শন একসাথে করেছেন। তিনজনের সমন্বিত লেখনী ছবির দৃশ্যাবলীকে সজীব করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সংলাপের দায়িত্ব রোহন শঙ্করের উপর। তার লেখায় চরিত্রের স্বর ও হাস্যরসের ছাপ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠবে, যা দর্শকের সঙ্গে সংযোগ গড়ে তুলবে।
অ্যাকশে কুমারের কমেডি টাইমিংকে ছবির প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তার স্বাভাবিক হাস্যরস ও শারীরিক কৌতুক দৃশ্যগুলোকে প্রাণবন্ত করে তুলবে।
প্রিয়দর্শনের পরিচালনায় নতুনত্বের প্রত্যাশা রয়েছে। তিনি পূর্বের হিট ছবিগুলোর সাফল্যকে ভিত্তি করে এবার ভৌতিক ও কমেডি মিশ্রণকে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে উপস্থাপন করবেন।
জয়পুরের আইকনিক স্থানগুলোতে শুটিংয়ের মাধ্যমে শহরের সৌন্দর্যকে চলচ্চিত্রের পটভূমি হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এই দৃশ্যগুলো ছবির ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করবে এবং দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণ করবে।
‘ভূত বাংলা’ শীঘ্রই বড় পর্দায় আসবে, এবং ভক্তরা ইতিমধ্যে সিনেমা হলের সিটের জন্য অপেক্ষা করছেন। ছবির মিশ্রণ—ভৌতিক রোমাঞ্চ, হাস্যরস ও রঙিন জয়পুরের পটভূমি—একটি নতুন বিনোদন অভিজ্ঞতা প্রদান করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।



