শনি দিন অ্যাস্টন ভিলার গৃহমাঠে অনুষ্ঠিত প্রিমিয়ার লীগ ম্যাচে দলটি নটিংহাম ফরেস্টকে ৩-১ পার করে রেকর্ডে এক দশম ধারাবাহিক গৃহজয় অর্জন করেছে এবং অস্থায়ীভাবে লিগের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। স্কোরবোর্ডে তিনটি গোলের দায়িত্বে ছিলেন মিডফিল্ডার জন ম্যাকগিন, যিনি দ্বিতীয়ার্ধে দু’টি করে গোল করে ব্রেসের ভূমিকা পালন করেন, এবং ফরোয়ার্ড অলি ওয়াটকিন্স, যিনি প্রথমার্ধে একবার গোল করে দলকে প্রারম্ভিক সুবিধা দেন। ফলস্বরূপ ভিলা এখন তৃতীয় স্থানীয় ম্যানচেস্টার সিটির এক পয়েন্ট উপরে, যদিও সিটি এখনও এক ম্যাচ কম খেলেছে।
প্রথমার্ধের শেষের দিকে ভিলার আক্রমণাত্মক চালনা ফলপ্রসূ হয়; মর্গান রজার্সের সঠিক পাসে ওয়াটকিন্স বক্সের প্রান্তে অবস্থান করে ডান পা দিয়ে বলকে জালে পাঠায়, যা ম্যাচের প্রথম গোলের সূচনা করে। এই গোলের ফলে ভিলার খেলোয়াড়রা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মাঠে এগিয়ে যায় এবং অর্ধেকের আগে এক গোলের সুবিধা নিয়ে তারা রক্ষার কাজকে আরও কঠোর করে।
দ্বিতীয়ার্ধে ভিলার মিডফিল্ডার জন ম্যাকগিনের পারফরম্যান্স ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ৪৯তম মিনিটে ম্যাটি ক্যাশের ডানদিক থেকে ক্রসে ম্যাকগিন বাম পা দিয়ে বলকে নরমভাবে জালে পাঠায়, ফলে ভিলার স্কোর দুইতে পৌঁছে। ফরেস্টের প্রতিক্রিয়ায় মর্গান গিবস-হোয়াইট ৫৯তম মিনিটে একবার গোল করে দলকে এক গোলের কাছাকাছি নিয়ে আসে, তবে ৭৩তম মিনিটে ম্যাকগিন আবারও গোলের সুযোগ নেয়। তিনি গার্ডিয়ান জোনের বাইরে থাকা গোলরক্ষক জন ভিক্টরকে অতিক্রম করে বলকে জালে ঠেলে দেয়, ফলে ভিলার স্কোর শেষ পর্যন্ত ৩-১ হয়ে যায়।
এই জয় ভিলার লিগ টেবিলে অবস্থানকে শক্তিশালী করে; তারা এখন দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এবং শীর্ষ তিনের মধ্যে প্রতিযোগিতা তীব্র। ম্যানচেস্টার সিটি, যদিও এক ম্যাচ কম খেলেছে, তবু তৃতীয় স্থানে রয়েছে এবং ভিলার সঙ্গে পয়েন্টের পার্থক্য মাত্র এক। ভিলার পরবর্তী চ্যালেঞ্জ হবে বুধবার ক্রিস্টাল প্যালেসের মুখোমুখি হওয়া, যেখানে তারা শীর্ষস্থান বজায় রাখতে চায়। অপরদিকে নটিংহাম ফরেস্ট চতুর্থ ধারাবাহিক পরাজয়ের পর ১৭তম স্থানে রয়ে যায়, ড্রপ জোন থেকে চার পয়েন্টের দূরত্বে, যা দলকে পুনরুদ্ধারের জন্য জরুরি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করে।
সারসংক্ষেপে, ভিলার জয়টি কেবল তিনটি গোলের মাধ্যমে নয়, বরং দলীয় সমন্বয় ও কৌশলগত শৃঙ্খলার মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে। ম্যাকগিনের দু’টি গোল, ওয়াটকিন্সের দ্রুত শুটিং এবং রজার্সের সঠিক পাসিং সবই ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ফরেস্টের একক গোল সত্ত্বেও, তাদের রক্ষণে দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে দাঁড়ায়, যা ভবিষ্যৎ ম্যাচে সংশোধন করা প্রয়োজন। ভিলার এই জয় তাদের গৃহমাঠে ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি লিগ শিরোপার দিকে এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।



