আস্টন ভিলারা ভিলা পার্কে আরেকটি জয় অর্জন করে, নটিংহাম ফরেস্টকে পরাজিত করে এবং ধারাবাহিকভাবে ১১তম হোম জয় পায়। মিডফিল্ডার জন ম্যাকগিন দু’গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যায়, আর অলি ওয়াটকিন্স ২৫০তম উপস্থিতিতে চতুর্থ গোলের স্বাদ পান। এই ফলাফলে ভিলারা শীর্ষ তিনের মধ্যে অবস্থান বজায় রাখে এবং লিগের শীর্ষে ফিরে আসে।
পূর্বে আর্সেনালকে ৪-১ করে হারানোর পর দলটি দ্রুত ফিরে এসে টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে। এখন তারা লিডারদের থেকে মাত্র তিন পয়েন্টের পার্থক্যে রয়েছে এবং ম্যানচেস্টার সিটিকে অতিক্রম করে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। এই উত্থানটি ভিলারা সম্প্রতি দেখানো ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের ফল।
খেলায় শুরুতেই গার্ডেনের গেটকিপার জন ভিক্টর, মাট্স সেলসের পরিবর্তে দায়িত্বে এসে পয়েন্ট-ব্ল্যাঙ্ক শটকে চমৎকারভাবে রোধ করেন। এই রক্ষা নেকো উইলিয়ামসকে স্বস্তি দেয়, যিনি ওলা আইনা দীর্ঘ সময়ের হ্যামস্ট্রিং আঘাত থেকে ফিরে বাম ব্যাক হিসেবে খেলছিলেন। গার্ডেনের রক্ষণাবেক্ষণ এই মুহূর্তে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকে।
মর্গান রজার্সের পাসে ওয়াটকিন্স ছয় গজের কাছাকাছি থেকে টো-পোকের মাধ্যমে গোল করেন, যা ম্যাচের প্রথম স্কোর হয়ে ওঠে। গোলের পর ভিলারা দ্রুত আক্রমণ চালিয়ে যায়, প্রতিপক্ষের রক্ষাকে চাপে রাখে। ওয়াটকিন্সের এই গোল তার চারটি গেমে চতুর্থ গোলের মর্যাদা অর্জন করে।
জন ম্যাকগিনের দু’গোলের মধ্যে একটি ছিল মাঝখানে দৌড়ে পেনাল্টি এরিয়া থেকে শট, আর অন্যটি ছিল দ্রুত পাসের পর টিপ-ইন। তার এই দু’গোল দলকে ৩-১ পর্যন্ত এগিয়ে নিয়ে যায় এবং শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরে ম্যাচ শেষ হয়। ম্যাকগিনের পারফরম্যান্স ভিলারা আক্রমণাত্মক শক্তির প্রধান উদাহরণ।
ম্যাচের প্রথম ত্রিশ মিনিটে ভিলারা ৮১% বলের দখল বজায় রাখে, যার ফলে আপনারি টিলেম্যান্স একা ২৬টি পাস সম্পন্ন করেন, যেখানে ফরেস্টের পুরো দল মাত্র ২১টি পাস করতে পারে। টিলেম্যান্সের পাসের সঠিকতা এবং গতি দলটির আক্রমণাত্মক আধিপত্যকে স্পষ্ট করে। এই পরিসংখ্যান ভিলারা আধুনিক ফুটবলের উচ্চমানের খেলায় পারদর্শী তা প্রমাণ করে।
নিকোলা মিলেনকোভিক পেনাল্টি নেওয়ার চেষ্টা করেন, তবে রজার্স ও টিলেম্যান্সের মধ্যে সংঘর্ষের পর শটটি মিস হয়। এই সুযোগটি হারিয়ে ভিলারা দ্রুত প্রতিপক্ষের দুর্বলতা কাজে লাগায় এবং গেমের প্রবাহ বজায় রাখে। পেনাল্টি মিসের পরেও ফরেস্টের প্রতিরক্ষা ভিলারা আক্রমণকে থামাতে পারে না।
ফরেস্টের কিছু সময়ে প্রতিপক্ষের কনট্রা কার্যকর হয়, যেখানে ওমারি হাচিনসন এমি মার্টিনেজকে ডাইভে ফেলতে প্ররোচিত করে। তবে গার্ডেনের রক্ষণাবেক্ষণ শক্তিশালী থাকে এবং অতিরিক্ত গোলের সুযোগ সীমিত থাকে। ফরেস্টের এই কনট্রা আক্রমণগুলো সাময়িক হলেও ম্যাচের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি।
এই জয়ের ফলে ফরেস্টের চতুর্থ পরপর পরাজয় নিশ্চিত হয়, আর ভিলারা ধারাবাহিকভাবে বাড়িতে জয়লাভ করে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলেছে। দলটি এখন লিগের শীর্ষে ফিরে আসার পথে দৃঢ় পদক্ষেপ নিয়েছে এবং পয়েন্টের দিক থেকে টেবিলের শীর্ষে পৌঁছেছে।
লিডারশিপের কাছাকাছি আসার সঙ্গে সঙ্গে ভিলারা ম্যান



