19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিডিএমপি কমিশনারের মন্তব্য: আগামী ৪০ দিনে শৃঙ্খলা বজায় থাকলে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত

ডিএমপি কমিশনারের মন্তব্য: আগামী ৪০ দিনে শৃঙ্খলা বজায় থাকলে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী আজ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (সিআরএ) এর সেরা রিপোর্টিং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেছেন যে, আগামী চল্লিশ দিন আইন‑শৃঙ্খলা বজায় থাকলে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত জাতীয় নির্বাচন স্বচ্ছভাবে অনুষ্ঠিত হতে পারে। তিনি এই বক্তব্যের সঙ্গে দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে বিশদ তথ্য প্রদান করেন।

কমিশনার জানান, বর্তমানে ঢাকা শহরের অপরাধ পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং যদি এই শৃঙ্খলা বজায় থাকে তবে নির্বাচনের সময় কোনো বিশাল ব্যাঘাতের সম্ভাবনা কমে যাবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে দেখা গিয়েছিল বিশাল আন্দোলন, এবং ২০২৫ সালে পরিস্থিতি আরও অস্থির হয়ে ওঠে, যেখানে শত শত জনসমাগমকে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছিল।

এই ঘটনাগুলোকে পর্যালোচনা করে তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচন এখন ডিএমপির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং এর সফলতা নিশ্চিত করতে আইন‑শৃঙ্খলা রক্ষা করা অপরিহার্য। নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে পুলিশ বিভাগে ব্যাপক পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে, যা লটারির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।

লটারি পদ্ধতিতে ঢাকা ভিত্তিক অফিসারদের মধ্যে থেকে অল্প কিছুকে বাদ দিয়ে ওসির (অফিসার ইন চার্জ) পদে নিয়োগ করা হয়েছে। কমিশনার ব্যাখ্যা করেন, যদি বাহুল্য জেলার কোনো অফিসারকে গুলশানের মতো উচ্চপ্রোফাইল এলাকায় ওসি হিসেবে নিযুক্ত করা হয়, তবে তার কাজের পরিবেশের পার্থক্য তাকে সমস্যায় ফেলতে পারে। একইভাবে, তাজুমুদ্দিন থানা থেকে গুলশান থানায় ওসি পরিবর্তন করলে কাজের জটিলতা বৃদ্ধি পায়।

অফিসারদের স্থানান্তরের ফলে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত ওসিরা নিজেদের নতুন দায়িত্বে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে, বিভিন্ন থানার কাজের ধরণে পার্থক্য থাকায় কিছু ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানগত ঘাটতি দেখা দেয়। কমিশনার উল্লেখ করেন, এসব সমস্যার সত্ত্বেও পুলিশ কর্মীরা তাদের দায়িত্ব পালন চালিয়ে যাচ্ছে।

নির্বাচনের প্রার্থী ও দলের নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরেও তিনি স্পষ্ট ধারণা দেন। নিরাপত্তা চাহিদা থাকা প্রার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা প্রদান করা হবে, তবে তা সম্পূর্ণভাবে পুলিশ সংস্থার সম্পদ সক্ষমতার ওপর নির্ভরশীল।

বিশেষ শাখা (এসবি) নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন করে প্রার্থীর জীবন হুমকির মাত্রা নির্ধারণ করে। এসবি নিশ্চিত করার পর, সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জন্য এসবি কর্মী বা অন্যান্য নিরাপত্তা ইউনিটের সহায়তা প্রদান করা হয়। এই প্রক্রিয়াটি দ্রুত ও সঠিকভাবে সম্পন্ন করা হয় যাতে কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে সময়মতো পদক্ষেপ নেওয়া যায়।

কমিশনারের মতে, আইন‑শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি, নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্যের সঠিক বিশ্লেষণ ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণই মূল চাবিকাঠি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করতে সকল সংশ্লিষ্ট সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য।

সারসংক্ষেপে, ডিএমপি কমিশনারের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, আগামী চল্লিশ দিন শৃঙ্খলা বজায় রাখলে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত জাতীয় নির্বাচন স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্যভাবে অনুষ্ঠিত হবে, এবং এর জন্য পুলিশ সংস্থার অভ্যন্তরীণ পুনর্গঠন, নিরাপত্তা মূল্যায়ন ও সম্পদ বণ্টন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments