22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধডিএমপি কমিশনার নির্বাচনী প্রার্থীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও হাদি হত্যার পরিণতি জানালেন

ডিএমপি কমিশনার নির্বাচনী প্রার্থীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও হাদি হত্যার পরিণতি জানালেন

ডাকাতি ও সন্ত্রাসী হুমকি মোকাবিলার জন্য নির্বাচনী প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে, এ বিষয়ে ডিএমপি কমিশনারের মন্তব্য প্রকাশিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান নির্বাচনী চক্রে প্রার্থীদের নিরাপত্তা প্রদান করা হচ্ছে এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি নির্ণয়ের জন্য বিশেষ শাখা (এসবি) জড়িত। যাচাই শেষে যদি এসবি নিশ্চিত করে যে কোনো প্রার্থীর জীবন হুমকির মুখে, তবে গনম্যান (অস্ত্রধারী গার্ড) প্রদান করা হবে।

বিশেষ শাখা নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়নের জন্য প্রার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য, হুমকির প্রকৃতি এবং সম্ভাব্য হুমকির উৎস বিশ্লেষণ করে। এই প্রক্রিয়ার ফলাফল যদি হ্যাঁ হয়, তবে ডিএমপি গনম্যানের ব্যবস্থা করে। কমিশনারের মতে, নিরাপত্তা যাচাইয়ের পর গনম্যানের নিয়োগে কোনো আপস করা হয় না এবং প্রয়োজনীয় সব রিসোর্স ব্যবহার করা হয়।

ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পর বহু প্রার্থী নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাদের অনুরোধের পর কিছু প্রার্থীর জন্য বন্দুকধারী দেহরক্ষী নিয়োগ করা হয়েছে। এই ব্যবস্থা হাদি হত্যার পরপরই গৃহীত হয় এবং প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।

কমিশনার ভবিষ্যতে একই ধরনের নিরাপত্তা চাহিদা থাকলে, যাচাইয়ের পর গনম্যান প্রদান করা হবে বলে আশ্বাস দেন। তবে তিনি উল্লেখ করেন, দেশের সামগ্রিক সম্পদ সীমিত এবং পুলিশ বিভাগও আর্থিকভাবে দুর্বল। নির্বাচনী প্রক্রিয়া দেশের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, তাই রিসোর্সের সঠিক বণ্টন জরুরি। গনম্যানের পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা, সন্ত্রাসী ও মাস্তানি সংক্রান্ত জটিলতা মোকাবিলার জন্যও যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।

রিসোর্সের ভারসাম্য রক্ষা করতে, গনম্যানের পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রের রক্ষক, সশস্ত্র দল এবং অন্যান্য নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। কমিশনারের মতে, সীমিত manpower দিয়ে সব দিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন, তাই অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে কাজ করা হচ্ছে।

হাদি হত্যার পর ফয়সাল করিম ও তার সহকর্মী ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ভারতে পলায়ন করেন। এই পলায়ন আন্তর্জাতিক নজরে আসে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়ায়। ফয়সাল ও তার সহযোগীর পলায়ন দেশের নিরাপত্তা সংস্থার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

শেখ সাজ্জাত আলী ২০২৫ সালকে অশান্ত বছর হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন দেশের ইতিহাসে বিশাল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিল। সেই সময়ে শত শত জনসমাবেশ, গোষ্ঠীর দাবি-দাবি, রাস্তায় ড্রাম বাজিয়ে প্রতিবাদ, এবং অবরোধের ঘটনা ঘটেছিল। তিনি উল্লেখ করেন, এমন অবরোধের ফলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে এবং গণতান্ত্রিক অধিকারকে শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবহার করা জরুরি।

ডিএমপি কমিশনার সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, তিনি গত ১৪ মাস ধরে এই পদে আছেন এবং এই সময়ে কিছু ভুল হয়েছে। তিনি এই ভুলগুলো প্রকাশ্যে জানাতে ইচ্ছুক এবং সংশোধনের জন্য প্রতিক্রিয়া স্বাগত জানান। এই স্বচ্ছতা নির্বাচনী নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতি জনসাধারণের আস্থা বাড়াবে বলে তিনি আশাবাদী।

শেখ মো. সাজ্জাত আলী ওসিসি (অফিসার ইন চার্জ) রদবদল সংক্রান্ত আলোচনায় উল্লেখ করেন, আসন্ন পরিবর্তনগুলো নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করবে। তিনি নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বিবেচনা করে রদবদল করার পরিকল্পনা প্রকাশ করেন, যাতে নির্বাচনী সময়ে সুনির্দিষ্ট ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া সম্ভব হয়।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments