20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধরাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের জিএস আম্মার ৫০ কোটি চাঁদাবাজি অভিযোগে পাঁচটি প্রশ্ন...

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের জিএস আম্মার ৫০ কোটি চাঁদাবাজি অভিযোগে পাঁচটি প্রশ্ন উত্থাপন

গাজীপুরের যৌথবাহিনী গত বুধবার রাত ১২:৩০ টার দিকে তঙ্গীর গোপালপুর টেকপাড়া এলাকায় ২১ বছর বয়সী তাহরিমা জান্নাত সুরভীকে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি গাজীপুরের কালিকাইর থানা সংযুক্ত একটি মামলার অধীন, যেখানে তাকে অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে অপহরণ, ভয় দেখিয়ে হুমকি এবং সামাজিক মাধ্যমে ব্ল্যাকমেলিংয়ের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। মামলাটি সাংবাদিক নৈমুর রহমান (দুর্জয়) দায়ের করেছেন।

তাহরিমা গোপালপুরের সেলিম মিয়ার কন্যা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী হিসেবে পরিচিত। তিনি ফেসবুকে নিজেকে “জুলাই যোদ্ধা” বলে পরিচয় দিয়েছেন। গ্রেপ্তারির আগে তাকে বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে আটক করা হয়েছিল, যার মধ্যে চাঁদাবাজি ও অপহরণ অন্তর্ভুক্ত।

গ্রেপ্তারির পর, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের জিএস সালাউদ্দিন আম্মার ফেসবুকে পাঁচটি নির্দিষ্ট প্রশ্ন তুলে ধরেন। তিনি জিজ্ঞেস করেন, ৫০ কোটি টাকার লেনদেনের প্রমাণ কোথায়, তা কি ব্যাংক ট্রান্সফার, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল ট্রেইল, সাক্ষীর মাধ্যমে বা অন্য কোনো নথিপত্রে প্রকাশিত হয়েছে কিনা। এছাড়া তিনি জোর দিয়ে বলেন, কেবল অভিযোগের ভিত্তিতে জেল না দিয়ে প্রমাণ দেখানো প্রয়োজন।

অধিকন্তু, আম্মার উল্লেখ করেন যে একই সময়ে একটি পত্রিকায় সেনাবাহিনী প্রধানের বিরুদ্ধে অশালীন ও রাষ্ট্রবিরোধী মন্তব্যের অভিযোগও উঠেছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, চাঁদাবাজি অভিযোগ নাকি মতপ্রকাশের অপরাধ—কোনটি মূল অভিযোগ, এবং যদি মতপ্রকাশই অপরাধ হয় তবে কেন চাঁদাবাজির মতো গুরুতর লেবেল যুক্ত করা হচ্ছে। তার মতে, এই ধরনের দ্বিমুখী অভিযোগ আইনি প্রক্রিয়ার বদলে চরিত্রধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

আম্মার আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে অভিযোগই শাস্তি হয়ে দাঁড়াচ্ছে, গ্রেপ্তারই প্রমাণ হিসেবে গণ্য হচ্ছে এবং সংবাদ শিরোনামই রায়ের সমতুল্য হয়ে উঠেছে। তিনি দাবি করেন, নীরবতা অপরাধের সমতুল্য এবং প্রমাণ না দেখিয়ে মামলার অবস্থা, চার্জশিটের বিষয়বস্তু এবং বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্পষ্টতা না থাকলে ভবিষ্যতে অন্যদের উপর একই রকম ভিত্তিহীন গ্রেপ্তার করা হতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাজীপুরের কালিকাইর থানায় দায়ের করা মামলায় তাহরিমার বিরুদ্ধে একাধিক চাঁদাবাজি ও অপহরণের অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকারী নৈমুর রহমান (দুর্জয়) তার বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে অপহরণ, ভয় দেখিয়ে হুমকি এবং সামাজিক মাধ্যমে ব্ল্যাকমেলিংয়ের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন।

এখন পর্যন্ত আদালত থেকে কোনো রায় বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হয়নি। গ্রেপ্তারি ও অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলমান, এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রমাণের বিবরণ ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য পাওয়া বাকি।

এই ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মতামত প্রকাশ পেয়েছে, তবে সরকারি সূত্র ও তদন্তকারী সংস্থার আনুষ্ঠানিক বিবৃতি ছাড়া অতিরিক্ত অনুমান বা বিশ্লেষণ করা থেকে বিরত থাকা জরুরি। বর্তমান পর্যায়ে শুধুমাত্র প্রকাশিত তথ্যই ভিত্তি করে প্রতিবেদন করা হয়েছে, এবং ভবিষ্যতে কোনো নতুন তথ্য প্রকাশিত হলে তা অনুসরণ করা হবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments