ঢাকা জেলার ২০টি পার্লামেন্টারি আসনের জন্য প্রার্থীর নামপত্রের যাচাই আজ সকাল দশটায় শুরু হয়েছে, নির্বাচন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এই প্রক্রিয়া ১৩তম জাতীয় সংসদীয় নির্বাচনের পূর্বে শেষ করা হবে।
মোট ২৩৮ জন প্রার্থী সোমবারের শেষ সময়সীমার মধ্যে নামপত্র জমা দিয়েছেন। নামপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল সোমবার, এবং এখন যাচাই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
যাচাই কাজ তিনজন রিটার্নিং অফিসার তত্ত্বাবধানে, তিনটি পৃথক অফিসে সমন্বিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। প্রথম অফিস হল ঢাকা ডিভিশনাল কমিশনারের অফিস, দ্বিতীয়টি ঢাকা রিজিওনাল ইলেকশন অফিসার (রিও) এর অফিস, তৃতীয়টি ঢাকা জেলা কমিশনারের অফিস।
ঢাকা ডিভিশনাল কমিশনারের অফিসে ঢাকা-৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৪, ১৬, ১৭ ও ১৮ নম্বর আসনের নামপত্র যাচাই করা হচ্ছে। রিজিওনাল ইলেকশন অফিসারকে ঢাকা-১৩ ও ১৫ নম্বর আসনের নামপত্রের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জেলা কমিশনারের অফিসে ঢাকা-১, ২, ৩, ১৯ ও ২০ নম্বর আসনের প্রার্থীর নথি পরীক্ষা করা হবে।
নামপত্র যাচাই কাজ আগামীকাল পর্যন্ত সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। রিটার্নিং অফিসারদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল জানুয়ারি ৫ থেকে ৯ তারিখের মধ্যে দাখিল করা যাবে, এবং আপিলের নিষ্পত্তি জানুয়ারি ১৮ তারিখের মধ্যে শেষ করার কথা।
প্রার্থীরা নামপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ জানুয়ারি ২০ নির্ধারণ করা হয়েছে। চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা ও প্রতীক বরাদ্দ জানুয়ারি ২১ প্রকাশিত হবে। নির্বাচনী প্রচারণা জানুয়ারি ২২ থেকে শুরু হয়ে ভোটের ৪৮ ঘণ্টা পূর্বে শেষ হবে।
ঢাকা-১ আসনে বিএনপি থেকে খন্দকার আবু আশফাক, জামায়াতে ইসলামি থেকে মোহাম্মদ নাজরুল ইসলাম, খেলাফত মজলিস থেকে ফারহাদ হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে নুরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টি থেকে নাসির উদ্দিন মোল্লা এবং লেবার পার্টি থেকে শেখ মো. আলী প্রার্থী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া অ্যান্টারা সেলিমা হুদা স্বাধীন প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
ঢাকা-২ আসনে বিএনপি থেকে আমানুল্লাহ আমান, জামায়াতে ইসলামি থেকে আবদুল হক এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে জাহিরুল ইসলাম নামপত্র জমা দিয়েছেন।
ঢাকা-৩ আসনে বিএনপি স্ট্যান্ডিং কমিটি সদস্য গায়েশ্বর চন্দ্র রায়, জামায়াতে ইসলামি থেকে শাহিনুর ইসলাম, গোনো সমাহতি আন্দোলন থেকে বাচ্চু ভূঁইয়া এবং আরও তেরজন প্রার্থী নামপত্র দাখিল করেছেন।
ঢাকা-৪ আসনে মোট আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, যার মধ্যে রয়েছে বিএনপি থেকে তানভীর আহমেদ এবং জামায়াতে ইসলামি থেকে সৈয়দ জয়নুল আবেদিন।



