27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeআন্তর্জাতিকপিপ্রাহ্‌ওয়া বৌদ্ধ রত্নের ভারতীয় প্রদর্শনী, ১২৭ বছর পর পুনরুদ্ধার

পিপ্রাহ্‌ওয়া বৌদ্ধ রত্নের ভারতীয় প্রদর্শনী, ১২৭ বছর পর পুনরুদ্ধার

দিল্লিতে শনিবার একটি বিশেষ প্রদর্শনীতে প্রাচীন বৌদ্ধ রত্নের সংগ্রহ জনসাধারণের সামনে উপস্থাপন করা হয়। এই রত্নগুলো ১২৭ বছর আগে উপনিবেশিক সময়ে বিদেশে পাঠানো হয়েছিল এবং আজ প্রথমবারের মতো ভারতীয় মাটিতে ফিরে এসেছে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এই ঘটনাকে বৌদ্ধ ঐতিহ্যের পুনর্মিলন হিসেবে ঘোষণা করেছে।

পিপ্রাহ্‌ওয়া রত্নের সংগ্রহে তিনশতাধিক মূল্যবান পাথর ও অলংকার অন্তর্ভুক্ত, যেগুলো প্রায় ২০০ খ্রিস্টপূর্বের বলে অনুমান করা হয়। ঐ সময়ের বৌদ্ধ স্তূপে সমাধি হিসেবে রাখা এই রত্নগুলো বুদ্ধের অবশিষ্টাংশের সঙ্গে যুক্ত বলে বিশ্বাস করা হয়।

দিল্লির জাতীয় জাদুঘরে গৃহীত এই প্রদর্শনীতে রত্নগুলো সুরক্ষিত কেসে সাজিয়ে রাখা হয়েছে এবং দর্শনার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট সময়ে উন্মুক্ত করা হবে। প্রদর্শনীটি আন্তর্জাতিক গবেষক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের আকর্ষণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘পিপ্রাহ্‌ওয়া রত্নের পুনরায় সংযোজন বৌদ্ধ ধর্মের ঐতিহাসিক স্মৃতিকে পুনর্জীবিত করবে’ এবং রত্নগুলোকে ‘অবিনিবেশযোগ্য ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই রত্নগুলো প্রথমবার ১৮৯৮ সালে ব্রিটিশ অভিযাত্রী উইলিয়াম ক্ল্যাক্সটন পেপে উঁচুপুরা, উত্তরপ্রদেশে খনন করে বের করেন। পেপের দল ঐ স্থানে একটি স্তূপের নিচে রত্নের পাত্র ও হাড়ের টুকরা আবিষ্কার করে, যা পরে উপনিবেশিক সরকারকে হস্তান্তর করা হয়।

পিপ্রাহ্‌ওয়া রত্নের একটি পাত্রে খোদাই করা লিপি স্পষ্টভাবে বুদ্ধের অবশিষ্টাংশের উল্লেখ করে, যা রত্নের ধর্মীয় গুরুত্বকে নিশ্চিত করে। এই লিপি গবেষকদের মতে রত্নের মূল উদ্দেশ্য সমাধি রূপে ব্যবহার করা ছিল।

উপনিবেশিক সময়ে অধিকাংশ রত্ন ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের হাতে চলে যায় এবং কিছু অংশ কলকাতার ভারতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত হয়। তবে পেপে নিজে কিছু রত্ন ব্যক্তিগতভাবে রাখেন, যা পরবর্তীতে তার বংশধরদের কাছে পৌঁছায়।

মে ২০২৫ সালে পেপের নাতি-নাতনি ক্রিস পেপে রত্নগুলো বিক্রির জন্য হংকংয়ের সথবিসে তালিকাভুক্ত করেন। প্রারম্ভিক দর ১.২ মিলিয়ন ডলার নির্ধারিত হয় এবং বিশেষজ্ঞরা সম্ভাব্য বিক্রয়মূল্য দশ গুণের বেশি হতে পারে বলে অনুমান করেন।

তবে ভারতীয় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আইনি আদেশের পরে নিলাম বাতিল করা হয়। মন্ত্রণালয় রত্নগুলোকে ‘অবিনিবেশযোগ্য ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’ বলে উল্লেখ করে, যা আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অংশ হিসেবে রক্ষা করা দরকার।

দিল্লিতে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রত্নের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এটিকে ‘ইতিহাস, সংস্কৃতি ও বুদ্ধের আদর্শের প্রতি উত্সাহী সকলের জন্য বিশেষ দিন’ বলে বর্ণনা করেন। তিনি

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক
AI-powered আন্তর্জাতিক content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments