গড়চিরৌলি জেলার আলদান্দি টোলা গ্রামে ১ জানুয়ারি একটি দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। ২৪ বছর বয়সী আশা সন্তোষ কিরাঙ্গা নামের গর্ভবতী নারী গর্ভধারণের সময়ই মারা যান, সঙ্গে গর্ভে থাকা শিশুও প্রাণ হারায়। স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ায় এই ট্র্যাজেডি ঘটেছে।
আশা কিরাঙ্গা মহারাষ্ট্রের গড়চিরৌলি জেলার আলদান্দি টোলা গ্রামে বাস করতেন, যেখানে কোনো সরকারি হাসপাতাল নেই। গ্রামটি ঘনবনাঞ্চলে অবস্থিত এবং প্রধান সড়ক নেটওয়ার্কের অভাবে গাড়ি চলাচল কঠিন। নিকটতম প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছাতে কয়েক কিলোমিটার হেঁটে যেতে হয়।
মৃত নারী গৃহস্থালী কাজের পাশাপাশি দেশের স্বীকৃত সামাজিক স্বাস্থ্য কর্মী (এএসএইচএ) সদস্যের দায়িত্ব পালন করতেন। এএসএইচএ কর্মীরা গ্রামাঞ্চলে মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান ও গর্ভবতী নারীর নজরদারি করার কাজ করে থাকেন। তার কর্মজীবন সত্ত্বেও জরুরি চিকিৎসা সুবিধা পেতে তিনি নিজে দীর্ঘ পথ হেঁটেছিলেন।
গ্রামে কোনো রোড হোস্পিটাল বা মাতৃসেবা কেন্দ্র না থাকায় গর্ভবতী নারীদের জরুরি অবস্থায় দূরবর্তী শহরে যাত্রা করতে হয়। গড়চিরৌলি জেলায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের সংখ্যা সীমিত, এবং সেগুলোর সেবা সময়সূচি প্রায়শই অপ্রতুল। ফলে গর্ভধারণের শেষ পর্যায়ে থাকা নারীদের জন্য সময়মত চিকিৎসা পাওয়া কঠিন।
আশা কিরাঙ্গা গর্ভের ৯ মাসের শেষ পর্যায়ে পৌঁছানোর পর হঠাৎ প্রসবের অস্বস্তি অনুভব করেন। গ্রাম থেকে সবচেয়ে নিকটস্থ হাসপাতাল পর্যন্ত প্রায় ছয় কিলোমিটার পথ ছিল, যা তিনি পায়ে হেঁ



