সাই পল্লবির ২০২৬ সালের পরিকল্পনা উজ্জ্বল, কারণ তিনি হিন্দি চলচ্চিত্রে প্রথমবারের মতো ‘মেরে রাহো’ ছবিতে জুনাইদ খান‑এর সঙ্গে উপস্থিত হবেন। এই রোমান্টিক ড্রামা ২০২৬ সালের মধ্যে মুক্তি পাবে, তবে সঠিক তারিখে কিছু পরিবর্তন দেখা দিয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ‘মেরে রাহো’ ২৪ এপ্রিলের জন্য নির্ধারিত ছিল, যা চলচ্চিত্রের জন্য উপযুক্ত সময় হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ছবিটি জুলাই ২০২৬‑এ প্রকাশের দিকে ঝুঁকছে। এই পরিবর্তনের পেছনে প্রধান কারণ হল চলচ্চিত্রের বাজারে অতিরিক্ত ভিড় এড়িয়ে চলা।
বাজারের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ১৭ এপ্রিল সালমান খান‑এর ‘ব্যাটল অফ গলওয়ান’ সিনেমা বড় স্ক্রিনে আসবে, যা একই সময়ে মুক্তি পেতে চাওয়া ছবিগুলোর জন্য কঠিন প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করবে। তদুপরি, ১ মে ‘রাজা শিবাজি’ এবং ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা ২’ একই সঙ্গে মুক্তি পাবে, ফলে গ্রীষ্মের ছুটির সময়কালে একটি স্বচ্ছন্দ উইন্ডো পাওয়া সম্ভব হবে।
এই সিদ্ধান্তের পেছনে আমির খান প্রোডাকশনসের গোপনীয়তা বজায় রাখা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যদিও কোম্পানি এখনও চূড়ান্ত তারিখ প্রকাশ করেনি, তবে জুলাই মাসের দিকে ঝুঁকির ইঙ্গিত স্পষ্ট।
‘মেরে রাহো’ মূলত ২০১১ সালের কোরিয়ান চলচ্চিত্র ‘ওয়ান ডে’‑এর রিমেক, যেখানে প্রেমের গল্পটি জাপানের সাপ্পোরোর সুন্দর স্নো ফেস্টিভ্যালে শুট করা হয়েছে। স্নো ফেস্টিভ্যালের পটভূমি ছবিটিকে দৃশ্যত সমৃদ্ধ করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সাই পল্লবির আরেকটি বড় প্রকল্প হল ‘রামায়ণ’ নামে একটি ভিএফএক্স‑ভিত্তিক, তারকাখচিত চলচ্চিত্র, যা দিওয়ালি ছুটিতে থিয়েটারে আসবে। যদিও এই ছবি তার হিন্দি ডেবিউ নয়, তবু এটি তার ক্যারিয়ারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।
একই প্রোডাকশন হাউসের আরেকটি ফিচার ‘হ্যাপি প্যাটেল খতর্নাক জাসুস’ ১৬ জানুয়ারি থিয়েটারে প্রদর্শিত হবে, যেখানে ভার দাস প্রধান চরিত্রে অভিনয় করবেন। ‘মেরে রাহো’র প্রথম টিজারটি এই ছবির প্রিন্টের সঙ্গে যুক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে, যা উভয় ছবির প্রচারকে একসাথে বাড়াবে।
সামগ্রিকভাবে, ‘মেরে রাহো’ জুলাই মাসে মুক্তি পেলে দর্শকদের জন্য পর্যাপ্ত সময় থাকবে, যাতে ছবির পুনরায় দেখার সম্ভাবনা এবং স্ক্রিনে ঘনত্ব কমে। সাই পল্লবির হিন্দি দর্শকের কাছে প্রথম পরিচয় এবং আমির খান প্রোডাকশনসের কৌশলগত পরিকল্পনা উভয়ই এই পরিবর্তনের পেছনে মূল চালিকাশক্তি।



