অ্যানিল কাপুর ২০০১ সালের রাজনৈতিক নাটক ‘নায়ক’ এর মালিকানা নিজের হাতে নিয়েছেন এবং একই গল্পের ধারাবাহিকের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই সিদ্ধান্তটি চলচ্চিত্রের দীর্ঘদিনের ভক্তদের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারে।
‘নায়ক’ প্রথম মুক্তির সময় বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জন না করলেও, পরবর্তী বছরগুলোতে এটি একটি কাল্ট ক্লাসিকের মর্যাদা পেয়েছে। দর্শকরা চরিত্রের সাহসিকতা এবং সামাজিক বার্তাকে স্মরণীয় বলে প্রশংসা করে।
চলচ্চিত্রের অধিকার পূর্বে প্রযোজক দীপক মুখুতের হাতে ছিল, যিনি দশ বছর আগে এ.এস. রথনামের কাছ থেকে এই অধিকার অর্জন করেন। তিনি ‘তেজস্বিনী’, ‘দিল হি দিল মেইন’ ইত্যাদি অন্যান্য পুরনো ছবির নেগেটিভ রাইটসও ধারণ করেন।
অ্যানিল কাপুরের এই ক্রয়টি তার ব্যক্তিগত সংযুক্তি এবং ছবির সামাজিক প্রভাবের প্রতি গভীর সম্মানকে প্রতিফলিত করে। তিনি বিশ্বাস করেন যে ‘নায়ক’ এর মূল থিম আধুনিক সময়ে পুনরায় উপস্থাপন করলে নতুন দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারবে।
‘নায়ক’ ছবিতে রানি মুখার্জি, প্রয়াত অমরিশ পুরি, পারেশ রাওয়াল, সৌরভ শুক্লা, জনি লেভার, শিবাজি সাটাম, নীনা কুলকর্ণসহ বহু পরিচিত মুখ উপস্থিত ছিলেন। পোজা বাত্রা ক্যামিওতে এবং সুশমিতা সেন গানের দৃশ্যে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।
শঙ্করের রচনায় এবং পরিচালনায় তৈরি এই চলচ্চিত্রটি এক সাহসী সাংবাদিকের গল্প বলে, যিনি একদিনের জন্য মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হন এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজ্যের নানা সমস্যার সমাধান করে জাতীয় নায়ক হিসেবে স্বীকৃত হন।
সিক্যুয়েল পরিকল্পনা সম্পর্কে জানানো হয়েছে যে মূল কাহিনীর মূলধারা বজায় রেখে নতুন সামাজিক বিষয়বস্তু যুক্ত করা হবে। অ্যানিল কাপুরের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশে ‘নায়ক’ এর বার্তা পুনরায় উপস্থাপন করা প্রাসঙ্গিক হবে।
ফ্যানদের মধ্যে ইতিমধ্যে সিক্যুয়েল নিয়ে উত্তেজনা দেখা যাচ্ছে, এবং এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন চলচ্চিত্রের নতুন প্রজন্মের মধ্যে পুনরুজ্জীবন ঘটাতে পারে। ভবিষ্যতে কীভাবে এই পরিকল্পনা রূপ নেবে, তা সময়ই বলবে।



