22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিভারত-বাংলাদেশের পারস্পরিক সম্পর্কের উন্নতি, নির্বাচনের পর প্রতিবেশী বন্ধুত্ব বাড়বে বলে জয়শঙ্কর

ভারত-বাংলাদেশের পারস্পরিক সম্পর্কের উন্নতি, নির্বাচনের পর প্রতিবেশী বন্ধুত্ব বাড়বে বলে জয়শঙ্কর

ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী স. জয়শঙ্কর শুক্রবার চেন্নাইতে অনুষ্ঠিত একটি ইন্টারেক্টিভ সেশনে বললেন, বাংলাদেশে শীঘ্রই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং এই প্রক্রিয়ায় দেশকে শুভেচ্ছা জানানো হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনের পর পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে অঞ্চলের প্রতিবেশী বন্ধুত্ব আরও দৃঢ় হবে।

মন্তব্যের সময় জয়শঙ্কর বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সফরের কথা তুলে ধরেন এবং বলেন, ভারতের উন্নয়ন যদি ধারাবাহিক থাকে, তবে পার্শ্ববর্তী সব দেশই তার সঙ্গে সমৃদ্ধি পাবে। তিনি এ বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগ করা বার্তাকে “বেশি সুযোগের দরজা খুলে যাবে” বলে ব্যাখ্যা করেন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্প্রতি খালেদা জিয়ার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় ব্যক্তিগত চিঠি লিখে পাঠিয়েছিলেন। জয়শঙ্কর, যিনি ভারত সরকারের প্রতিনিধিত্ব করে শবযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন, সেই চিঠি খালেদা জিয়ার পুত্র ও বিএনপি কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান তারিক রহমানের হাতে হস্তান্তর করেন। খালেদা জিয়া, যিনি তিনবার প্রধানমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন এবং বর্তমানে বিএনপি চেয়ারপার্সন, তার সমাধি ঢাকার শের-ই-বাংলা নগরে তার স্বামী প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পাশে সম্পন্ন হয়েছে।

একই দিনে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রন্ধির জয়সওয়াল নিউ দিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে একটি সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও অন্তর্ভুক্তি সম্পর্কে ভারতের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ভারত সম্পূর্ণভাবে মুক্ত, ন্যায়সঙ্গত এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পক্ষে এবং তা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত। এছাড়া, তিনি যুক্তি দেন যে, বিএনপি কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান তারিক রহমানের লন্ডন থেকে ফিরে আসা এই প্রেক্ষাপটে দেখা উচিত।

ব্রিফিংয়ে জয়সওয়াল আরও স্পষ্ট করেন যে, ভারতের নীতি সবসময় বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার দিকে মনোনিবেশ করে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শান্তি ও স্থিতিশীলতা ভারতের জন্যই নয়, পুরো অঞ্চলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ, এবং নির্বাচনের সময়ে কোনো হস্তক্ষেপ না করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার পক্ষে অবস্থান নেওয়া হবে।

জয়শঙ্করের মন্তব্যের পটভূমিতে দেখা যায়, ভারত-বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের নতুন পর্যায়ে প্রবেশের ইঙ্গিত। শীঘ্রই অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনের ফলাফল যদি শান্তিপূর্ণভাবে নির্ধারিত হয়, তবে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, অবকাঠামো এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও গভীর হতে পারে। বিশেষ করে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও মানবিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ভারতের সহায়তা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

অধিকন্তু, তারিক রহমানের লন্ডন থেকে ফিরে আসা এবং তার রাজনৈতিক ভূমিকা পুনরায় সক্রিয় হওয়া বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নতুন গতিবিধি আনতে পারে। তারিকের উপস্থিতি যদি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে, তবে তা দুই দেশের পারস্পরিক বিশ্বাসকে আরও মজবুত করবে।

সারসংক্ষেপে, জয়শঙ্করের বক্তব্য ও ভারতের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক কার্যক্রম নির্দেশ করে যে, শীঘ্রই অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর ভারত-বাংলাদেশের প্রতিবেশী বন্ধুত্বের পরিসর বিস্তৃত হবে এবং উভয় দেশের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রের সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments