অন্তর্বর্তী সরকার মুন্সিগঞ্জ জেলায় একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল গঠনের নীতিগত অনুমোদন প্রদান করেছে। অনুমোদনের তথ্য স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বৃহস্পতিবার রাতের প্রজ্ঞাপনে প্রকাশিত হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অবকাঠামো সম্পন্ন হওয়ার পর ধাপে ধাপে শিক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করা হবে। প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হলে শিক্ষার সূচনা চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত করা হবে।
গত বছরের ১১ নভেম্বর সরকার একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে শিক্ষাদানের অনুমোদন দেয়। সেই কলেজটি হল ঢাকা জুরাইনে অবস্থিত ব্যারিস্টার রফিকুল হক মেডিকেল কলেজ।
এই অনুমোদনটি দেশের স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা শিক্ষার বিস্তারে একটি নতুন দিক নির্দেশ করে। বর্তমানে দেশে সরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যা ৩৭টি, এবং মুন্সিগঞ্জে নতুন কলেজ যুক্ত হওয়ায় এই সংখ্যা বাড়বে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, নতুন কলেজ ও হাসপাতাল গড়ে তোলার মাধ্যমে মুন্সিগঞ্জ এবং পার্শ্ববর্তী জেলার রোগী ও শিক্ষার্থীদের জন্য চিকিৎসা সেবা ও শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে।
অবকাঠামো কাজ সম্পন্ন হলে প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ভর্তি শুরু হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট শর্তগুলোর পূর্ণতা প্রয়োজন।
নতুন প্রতিষ্ঠানের পরিকল্পনা অনুযায়ী আধুনিক ক্লিনিক, গবেষণা ল্যাব এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। এতে দেশের চিকিৎসা গবেষণার মানোন্নয়নেও অবদান রাখবে।
মুন্সিগঞ্জের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার উন্নতি প্রত্যাশিত, কারণ বর্তমানে এই অঞ্চলে সরকারি হাসপাতালের সংখ্যা সীমিত। নতুন হাসপাতালটি রোগীর ভর্তি ক্ষমতা বাড়িয়ে জরুরি সেবা প্রদানকে সহজ করবে।
পরিবেশগত দিক থেকে পরিকল্পনায় সবুজ এলাকা ও সুষ্ঠু রোড নেটওয়ার্কের ব্যবস্থা করা হবে, যা রোগী ও কর্মীদের চলাচলকে সুবিধাজনক করবে।
প্রকল্পের অর্থায়ন কেন্দ্রীয় বাজেটের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে, এবং নির্মাণ কাজের তদারকি বিশেষজ্ঞ টাস্কফোর্সের হাতে থাকবে।
অন্তর্বর্তী সরকার এই উদ্যোগকে দেশের স্বাস্থ্যখাতে সমতা ও প্রবেশযোগ্যতা বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
মুন্সিগঞ্জের বাসিন্দা ও চিকিৎসা শিক্ষার্থীরা এই নতুন সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে; আপনার মতামত কী, আপনি কি মনে করেন এই প্রকল্পটি স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবার গুণগত মানকে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করবে?



