28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাTechCrunch Disrupt-এ Tade Oyerinde ও Teddy Solomon শিক্ষার ও ক্যাম্পাস সম্প্রদায় গড়ার...

TechCrunch Disrupt-এ Tade Oyerinde ও Teddy Solomon শিক্ষার ও ক্যাম্পাস সম্প্রদায় গড়ার কৌশল শেয়ার

TechCrunch Disrupt ২০২৫-এ অনলাইন শিক্ষা ও কলেজ সামাজিক নেটওয়ার্কিং ক্ষেত্রে দুইজন উদ্যোক্তা তাদের সাফল্যের পেছনের পদ্ধতি তুলে ধরেছেন। Tade Oyerinde, Campus নামের অনলাইন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও চ্যান্সেলর, এবং Teddy Solomon, কলেজ‑ভিত্তিক সামাজিক অ্যাপ Fizz‑এর সহ‑প্রতিষ্ঠাতা, দুজনেই কীভাবে বৃহৎ ব্যবহারকারী গোষ্ঠীকে যুক্ত রাখেন তা বিশদে ব্যাখ্যা করেছেন। উভয়েই তাদের প্ল্যাটফর্মকে স্কেল করার সময় শিক্ষার্থীর আগ্রহ বজায় রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন।

Campus একটি ডিজিটাল কলেজ হিসেবে তথ্যপ্রযুক্তি, ব্যবসা প্রশাসন ইত্যাদি ক্ষেত্রে সমিতি ডিগ্রি প্রদান করে। পাশাপাশি কসমেটোলজি ও ফ্লেবোটমি মতো বিশেষায়িত সার্টিফিকেশন কোর্সও চালু রয়েছে। প্রতিষ্ঠানের বর্তমান ভর্তি সংখ্যা ৩,০০০‑এর বেশি, এবং প্রায় ১০০ জনের বেশি পার্ট‑টাইম শিক্ষক এই কোর্সগুলো পরিচালনা করেন।

Oyerinde উল্লেখ করেছেন, কর্মক্ষেত্রের চাহিদা অনুযায়ী নির্দিষ্ট দক্ষতা শেখার জন্য নিয়োগকর্তারা আলাদা‑আলাদা কোর্সের দাবি বাড়িয়ে তুলেছেন। ফলে Campus ‘à la carte’ মডেল গ্রহণ করে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রয়োজনীয় স্কিলের জন্য স্বতন্ত্র ক্লাস বেছে নিতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, কোডিং বা ডেটা বিশ্লেষণ সম্পর্কিত মাইক্রো‑কোর্সগুলো এখন সহজে অ্যাক্সেসযোগ্য।

ভবিষ্যৎ দৃষ্টিকোণ থেকে Oyerinde বিশ্বাস করেন, আপস্কিলিংয়ের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাবস্ক্রিপশন‑ভিত্তিক শিক্ষার মডেল সাধারণ হয়ে উঠবে। তিনি বলেন, দুই‑বছরের ডিগ্রি অনুসরণকারী শিক্ষার্থীর পাশাপাশি যে কেউ Campus‑এর লাইভ অনলাইন ক্লাসে অংশ নিতে পারবে। এই ধারণা শিক্ষার নমনীয়তা বাড়িয়ে তুলবে এবং কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা দ্রুত অর্জনে সহায়তা করবে।

Campus শিক্ষার খরচ কম রাখতে Pell Grant প্রোগ্রামকে ব্যবহার করে। এই ফেডারেল সহায়তা শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি কমিয়ে দেয়, ফলে নিম্ন আয়ের পরিবারও উচ্চমানের অনলাইন শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। Oyerinde জোর দিয়ে বলেন, সাশ্রয়ী মূল্যে গুণগত শিক্ষা প্রদানই তাদের মূল লক্ষ্য।

অর্থায়নের ক্ষেত্রে Campus‑এর পেছনে বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট বিনিয়োগকারী আছেন। OpenAI‑এর সহ‑প্রতিষ্ঠাতা Sam Altman এবং Discord‑এর প্রতিষ্ঠাতা Jason Citroen সহ অন্যান্য বিলিয়নিয়াররা কোম্পানির ক্যাপ টেবিলে নাম লিখেছেন। এই বিনিয়োগকারীরা মূলত শিক্ষার কাঠামো পরিবর্তনে আগ্রহী, তাই কোম্পানি লাভের চেয়ে সামাজিক প্রভাবকে অগ্রাধিকার দেয়।

দ্বিতীয় অংশে Teddy Solomon Fizz‑এর সম্প্রসারণ কৌশল তুলে ধরেছেন। Fizz বর্তমানে ২০০‑এর বেশি কলেজ ক্যাম্পাসে সক্রিয় এবং এক সময়ে উচ্চ বিদ্যালয়েও সেবা প্রদান করত। ২০২১ সালে লঞ্চের পর থেকে কোম্পানি Owl Ventures ও NEA সহ বিভিন্ন ভেঞ্চার ক্যাপিটাল থেকে মোট ৪০ মিলিয়ন ডলারের বেশি তহবিল সংগ্রহ করেছে।

Fizz‑এর মূল লক্ষ্য হল কলেজ শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সামাজিক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা, যেখানে তারা একে অপরের সঙ্গে সহজে যোগাযোগ, ইভেন্ট শেয়ার এবং একাডেমিক সহায়তা পেতে পারে। অ্যাপের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ক্লাব, গ্রুপ চ্যাট এবং ক্যাম্পাস‑নির্দিষ্ট ইভেন্টের তথ্য রিয়েল‑টাইমে পেতে পারেন। এই ধরনের ফিচার শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস জীবনের সঙ্গে যুক্ত রাখে এবং নেটওয়ার্কিংকে সহজ করে।

প্রযুক্তিগত দিক থেকে Fizz সম্প্রতি পিয়ার‑টু‑পিয়ার ফিচার যুক্ত করেছে, যা শিক্ষার্থীদের একে অপরের সঙ্গে টিউটরিং বা প্রকল্প সহযোগিতার সুযোগ দেয়। এই ফিচারটি ব্যবহারকারীর সক্রিয়তা বাড়াতে এবং অ্যাপের দৈনিক ব্যবহার সময় বৃদ্ধি করতে সহায়ক হয়েছে। এছাড়া, গেমিফিকেশন উপাদান যোগ করে ব্যবহারকারীর সম্পৃক্ততা আরও বাড়ানো হয়েছে।

Solomon উল্লেখ করেন, ক্যাম্পাসে সরাসরি উপস্থিতি না থাকলেও ডিজিটাল পরিবেশে শিক্ষার্থীর সামাজিক চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। তিনি বলেন, Fizz‑এর সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হল ব্যবহারকারীর প্রতিক্রিয়ার ভিত্তিতে দ্রুত ফিচার আপডেট করা এবং স্থানীয় ক্যাম্পাস ইভেন্টের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখা।

উভয় উদ্যোক্তা একমত যে, আজকের শিক্ষার্থী ও তরুণ পেশাজীবী শুধুমাত্র একাডেমিক জ্ঞান নয়, বরং নেটওয়ার্কিং ও বাস্তব দক্ষতা অর্জনেও আগ্রহী। তাই তারা তাদের প্ল্যাটফর্মে লাইভ ক্লাস, ইন্টারেক্টিভ ফোরাম এবং পিয়ার‑সাপোর্টের মতো উপাদান সংযোজনের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সম্পৃক্ততা বাড়াচ্ছেন।

শিক্ষা ও ক্যাম্পাস জীবনের সঙ্গে যুক্ত হতে ইচ্ছুক পাঠকরা যদি অনলাইন কোর্স বা সামাজিক অ্যাপ ব্যবহার করার পরিকল্পনা করেন, তবে প্রথমে তাদের লক্ষ্য ও সময়সূচি নির্ধারণ করে উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম বেছে নেওয়া উচিত। এছাড়া, বিনামূল্যের ট্রায়াল বা স্কলারশিপ সুযোগগুলো ব্যবহার করে খরচ কমিয়ে দক্ষতা বাড়ানো সম্ভব। আপনার ক্যারিয়ার গড়ার পথে কোন ধরনের দক্ষতা সবচেয়ে প্রয়োজন, তা নির্ধারণ করে সঠিক কোর্স বা নেটওয়ার্কিং টুল বেছে নিন।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: TechCrunch
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments