27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলায় ১৭০ টাকা হারানোর কারণে কিশোরীকে পিটিয়ে হত্যা, চাচা গ্রেফতার

ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলায় ১৭০ টাকা হারানোর কারণে কিশোরীকে পিটিয়ে হত্যা, চাচা গ্রেফতার

ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলায় আওরাবুনিয়া গ্রামাঞ্চলে মঙ্গলবার বিকেলে ১৭০ টাকা হারানোর বিবাদে ১৪ বছর বয়সী কিশোরী লামিয়া আক্তারকে মারধর করে হত্যা করা হয়। ঘটনায় লামিয়ার সৎ চাচা জাকির হোসেন খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তিনি পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।

লামিয়া আক্তার, উত্তর চরাইল হাসেমিয়া দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী, ফারুক খান নামের গ্রামবাসীর সৎ মেয়ে। তার মা লিলি বেগমও একই সময়ে শারীরিক আঘাতে গুরুতরভাবে আহত হন।

সন্দেহভাজন জাকির হোসেন খান, একই গ্রাম থেকে, লামিয়া ও তার মায়ের সঙ্গে কথোপকথনের সময় ১৭০ টাকা হারিয়ে যাওয়া নিয়ে তীব্র বিরোধে লিপ্ত হন। কথোপকথন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জাকির লামিয়ার ওপর শাবল দিয়ে আঘাত করেন, ফলে কিশোরীকে মারধর করা হয়।

আক্রমণের সময় লিলি বেগম লামিয়ার পিছু নেন এবং জাকিরের আক্রমণ থামাতে চেষ্টা করেন। তবে জাকির লিলি বেগমকেও শাবল দিয়ে আঘাত করে, ফলে উভয়েই গুরুতর শারীরিক ক্ষতভোগ করেন।

আহত মা ও কন্যা দুজনেই গ্রামবাসীদের সহায়তায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর লামিয়া আক্তার রাতের মধ্যেই শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তার মা লিলি বেগম এখনও চিকিৎসাধীন আছেন।

স্থানীয় কাঁঠালিয়া থানার ওয়ানডি অফিসার আবু নাছের মোহাম্মদ রায়হান ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেন। তিনি জানান, জাকির হোসেন খানকে গ্রেফতার করে হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং মামলাটি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর করা হবে।

পুলিশের মতে, লামিয়া ও তার মায়ের শারীরিক ক্ষতির প্রমাণ এবং মৃতদেহের রিপোর্টের ভিত্তিতে অপরাধের গুরুতরতা বিবেচনা করে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সন্দেহভাজনকে হেফাজতে রেখে, তদন্ত চলাকালীন তার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক অভিযোগ দায়ের করা হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনায় শোক প্রকাশ করে এবং গ্রামজুড়ে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে। গ্রামবাসীরা জোর দিয়ে বলেছেন যে, ক্ষুদ্র আর্থিক বিবাদে এমন হিংসাত্মক ঘটনা ঘটতে পারে না এবং সমাজের সকল স্তরে শান্তি বজায় রাখতে সচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন।

অধিক তদন্তের পর, জাকির হোসেন খানের বিরুদ্ধে হিংসা, মারধর এবং হত্যার অভিযোগে আদালতে আনা হবে। মামলার অগ্রগতি ও বিচারিক সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করা হচ্ছে, যাতে শিকারের ন্যায়সঙ্গত প্রতিকার নিশ্চিত হয়।

এই দুঃখজনক ঘটনা স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার তত্ত্বাবধানে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধান হবে, এবং ভবিষ্যতে অনুরূপ হিংসা রোধে সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments