ঢাকার ম্যানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আজ বিকেলে খালেদা জিয়া, বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী, সমাধি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ৫৬ বছর বয়সী মোঃ নীরব হোসেন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে স্ট্রোকের শিকার হন এবং হাসপাতালে পৌঁছানোর পর মৃত্যুর ঘোষনাা করা হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নীরব হোসেনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে, যেখানে তার নাম, বয়স এবং পিতার নাম মতিুর রহমান মিয়া উল্লেখ রয়েছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তেজগাঁও জোনের অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার জানান, নীরব হোসেন সমাধি অনুষ্ঠান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পথে অস্বাভাবিকভাবে বমি বমি ভাব এবং মাথা ঘোরা অনুভব করেন, যা স্ট্রোকের লক্ষণ হিসেবে চিহ্নিত হয়।
অবিলম্বে তাকে শাহীদ সোহরাওয়ার্দি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা তার অবস্থা মূল্যায়ন করে, শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর ঘোষণা দেন।
জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটো ও তথ্যের সঙ্গে মৃতদেহের মিল নিশ্চিত করার পর, পুলিশ নীরব হোসেনের স্থায়ী ঠিকানা পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলা হিসেবে রেকর্ড করে। পরিচয়পত্রে তার বর্তমান ঠিকানা রামনা, শান্তিনগর, ডক্টর গলি, ১৭৪ বোরোমোগবাজার, ডাক্তার গলি, শান্তিনগর, রামনা হিসেবে উল্লেখ আছে।
বিকেল চারটা পঞ্চাশ মিনিটে, নীরব হোসেনের দেহ ঢাকার জিয়া উদ্যানে, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে সমাধিস্থ করা হয়। সমাধি অনুষ্ঠানটি পরিবার ও কিছু রাজনৈতিক সহকর্মীর উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয়।
এই ঘটনা ঘটে যখন দেশের অন্যতম রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সমাধি অনুষ্ঠান চলছে, যা রাজনৈতিক পরিবেশে অতিরিক্ত দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। নীরব হোসেনের অকাল মৃত্যু এবং তার সমাধি স্থান উভয়ই রাজনৈতিক সমাবেশের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্য সেবার গুরুত্ব পুনরায় জোর দেওয়া হয়েছে।



