27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিপাকিস্তান স্পিকার ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় খালেদা জিয়ার সমাধি অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎ

পাকিস্তান স্পিকার ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় খালেদা জিয়ার সমাধি অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎ

ঢাকা, ৩১ ডিসেম্বর – পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার আয়াজ সাদিক এবং ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর বুধবার খালেদা জিয়ার বাসভবনে একত্রিত হন। দুই দেশীয় নেতার এই সাক্ষাৎ আন্তর্জাতিক দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মিটিংটি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শেষকৃত্য গৃহে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। উভয় নেতাই একে অপরকে সমবেদনা জানিয়ে, দেশের শোকের সময়ে একসাথে উপস্থিত থাকার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

আয়াজ সাদিক পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার এবং এস. জয়শঙ্কর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দু’জনই দেশের শীর্ষ কূটনৈতিক পর্যায়ে কাজ করছেন। তাদের উপস্থিতি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত এই শোকস্মরণী অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি যোগায়।

সাক্ষাৎকারে উভয় পক্ষের প্রতিনিধি একে অপরকে শুভেচ্ছা জানিয়ে, ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়নের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। উভয় দেশের কূটনৈতিক মিত্রতা পুনরায় সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে এই মিটিংকে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

খালেদা জিয়া, যিনি ৮০ বছর বয়সে মঙ্গলবার মারা যান, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্মরণীয়। তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন ছিলেন।

তার দেহকে জাতীয় পতাকা মোড়ানো গাড়িতে করে ঢাকা শহরে নিয়ে যাওয়ার সময় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। রাস্তায় হাজার হাজার নিরাপত্তা কর্মী সারিবদ্ধ হয়ে শোকের পরিবেশ বজায় রাখে।

সমাধি অনুষ্ঠানে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বহু নেতার অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা, পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

পাকিস্তানের স্পিকার সাদিক এবং ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করও এই শোকস্মরণী অনুষ্ঠানে অংশ নেন। তাদের উপস্থিতি দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিক উন্মোচনের ইঙ্গিত দেয়।

এই সাক্ষাৎ ২০২৫ সালের মে মাসে পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে সংক্ষিপ্ত কিন্তু তীব্র সংঘর্ষের পর প্রথমবারের মতো উচ্চ পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হয়। ঐ সংঘর্ষের ফলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক দূরত্ব বৃদ্ধি পেয়েছিল।

মে ২০২৫-এ দুই দেশের সীমান্তে সীমিত সামরিক সংঘর্ষের পর, উভয় পক্ষই পরস্পরের সঙ্গে সংলাপ পুনরায় শুরু করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল। তবে তা পর্যন্ত কোনো শীর্ষ পর্যায়ের সাক্ষাৎ হয়নি।

ঢাকায় অনুষ্ঠিত এই মিটিংকে দুই দেশের কূটনৈতিক মঞ্চে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু হিসেবে দেখা হচ্ছে। উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

বিশেষজ্ঞরা ইঙ্গিত করছেন যে, এই সাক্ষাৎ পরবর্তী কূটনৈতিক মিটিং, বাণিজ্যিক চুক্তি এবং নিরাপত্তা সহযোগিতার জন্য ভিত্তি স্থাপন করতে পারে। তবে তা বাস্তবায়নের জন্য উভয় দেশের সরকারকে নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে হবে।

বাংলাদেশের এই ভূমিকা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মঞ্চে দেশটির মধ্যস্থতা ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলেছে। শোকের মুহূর্তে দু’দেশের শীর্ষ নেতার উপস্থিতি, অঞ্চলের শান্তি ও সহযোগিতার নতুন দিগন্তের সূচনা হতে পারে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments