20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাএমেরি আর্টেটার সঙ্গে হাত না মিলিয়ে গিয়েছিলেন ভিলার ৪-১ পরাজয়ে

এমেরি আর্টেটার সঙ্গে হাত না মিলিয়ে গিয়েছিলেন ভিলার ৪-১ পরাজয়ে

ইমিরেটস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে অ্যাস্টন ভিলা ৪-১ স্কোরে আর্মিনিয়ার কাছে হেরে গেল। ম্যাচের পর ভিলার প্রধান কোচ উনাই এমেরি আর্টেটা, আর্টেমা, আর্টেটার সঙ্গে হাত না মিলিয়ে গিয়েছিলেন, যা মিডিয়ায় আলোড়ন সৃষ্টি করে।

আর্মি গার্ডেনের গৃহযুদ্ধে গুলাবি, মার্টিন জুবিমেন্ডি, লিয়ান্দ্রো ট্রসার্ড এবং গ্যাব্রিয়েল জিসাসের গোলের মাধ্যমে চারটি পয়েন্ট বাড়িয়ে লিডারবোর্ডে শীর্ষে পৌঁছায়। ভিলার ওলিভি ওয়াটকিন্স ইনজুরি টাইমে এক গোল করে দলের একমাত্র স্কোর যোগ করেন। এই ফলাফল গুলাবিকে লিডারবোর্ডে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ম্যানচেস্টার সিটির থেকে পাঁচ পয়েন্ট এবং তৃতীয় স্থানে থাকা ভিলার থেকে ছয় পয়েন্ট দূরে রাখে।

ভিলার ১১ ম্যাচের ধারাবাহিক জয়, যা ক্লাবের রেকর্ড সমান, এই পরাজয়ে শেষ হয়। দ্বিতীয়ার্ধে আর্মি গার্ডেনের আক্রমণাত্মক রূপান্তর স্পষ্ট হয়ে ওঠে, যখন গুলাবি ও জিসাসের দ্রুত চলাচল প্রতিপক্ষের রক্ষণকে ভেঙে দেয়। ভিলার রক্ষণাত্মক ত্রুটি এবং আর্মি গার্ডেনের মাঝখানে নিয়ন্ত্রণের অভাবই ফলাফলে বড় ভূমিকা রাখে।

ম্যাচের শেষ সিগনালে আর্টেটা তার স্টাফের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলিঙ্গন করেন, তারপর ভিলার ডাগআউটে গিয়ে উনাই এমেরির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার চেষ্টা করেন। তবে এমেরি ইতিমধ্যে চতুর্থ অফিসিয়াল থমাস কির্কের সঙ্গে হ্যান্ডশেকের পর টানেল দিয়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। এমেরি যখন এই ঘটনার ব্যাখ্যা দেন, তিনি বলেন, “ম্যাচ শেষ হওয়ার পর আমার রুটিন সবসময় দ্রুত হ্যান্ডশেক করে কোচ ও খেলোয়াড়দের সঙ্গে ড্রেসিং রুমে যাওয়া। আমি অপেক্ষা করছিলাম, আর্টেটা তার স্টাফের সঙ্গে ছিলেন, তাই আমি ভিতরে গিয়ে চলে আসি।” তিনি আরও যোগ করেন, “এটা কোনো সমস্যা নয়, শুধু ঠাণ্ডা ছিল।”

পরবর্তীতে স্কাই স্পোর্টসের সঙ্গে কথোপকথনে এমেরি বলেন, “আমার রুটিন সবসময় প্রতিপক্ষের কোচের সঙ্গে হ্যান্ডশেক করা এবং তারপর ড্রেসিং রুমে যাওয়া। যদি অন্য কোচ একই রীতি না মেনে চলে, আমি অপেক্ষা করতে পারি না, কারণ পরিস্থিতি ঠাণ্ডা হয়ে যায়।” আর্টেটা ঘটনাটিকে স্বাভাবিক বলে উল্লেখ করে বলেন, “আপনি দেখেছেন, এটা গেমের অংশ এবং কোনো অস্বাভাবিক বিষয় নয়।”

এই জয় আর্মি গার্ডেনের শিরোপা জয়ের পথে বড় ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ দলটি ২২ বছর পর প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জয়ের স্বপ্ন পূরণ করতে চায়। দ্বিতীয়ার্ধে গুলাবি ও জিসাসের সমন্বিত আক্রমণ দলকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে, যা পরবর্তী ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে মুখোমুখি হওয়ার আগে গুরুত্বপূর্ণ। ভিলার জন্য এই পরাজয় দলীয় মনোবলকে প্রভাবিত করতে পারে, তবে তারা এখনো লিগের শীর্ষে পৌঁছানোর জন্য পর্যাপ্ত পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে।

ম্যাচের পরিসংখ্যান দেখায়, আর্মি গার্ডেনের শুটিং শটের সংখ্যা ও পাসের সফলতা ভিলার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল। গুলাবি এবং জিসাসের গোলের সময় গড়ে ১২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতি রেকর্ড করা হয়, যা আক্রমণাত্মক তীব্রতা বাড়িয়ে দেয়। ভিলার ওয়াটকিন্সের একক গোল সত্ত্বেও দলটি শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষের আক্রমণকে থামাতে পারেনি।

আসন্ন সপ্তাহে আর্মি গার্ডেন ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের প্রস্তুতি নিচ্ছে, যেখানে শিরোপা জয়ের জন্য পয়েন্ট সংগ্রহের প্রতিযোগিতা তীব্র হবে। ভিলার কোচিং স্টাফও পরবর্তী ম্যাচের জন্য কৌশল নির্ধারণে ব্যস্ত, যাতে ধারাবাহিক জয়ের রেকর্ড পুনরায় শুরু করা যায়।

সারসংক্ষেপে, ভিলার ৪-১ পরাজয় এবং এমেরির আর্টেটার সঙ্গে হ্যান্ডশেক না করা দুটোই এই ম্যাচের প্রধান দিক। উভয় কোচই তাদের রুটিন ও ম্যাচের পরের আচরণ নিয়ে মন্তব্য করেছেন, যা ফুটবলের মানসিক দিকের একটি সূক্ষ্ম দিক প্রকাশ করে। ভবিষ্যতে দলগুলো কীভাবে এই অভিজ্ঞতা থেকে শিখবে, তা লিগের পরবর্তী পর্যায়ে দেখা যাবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments