20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাচেলসিরা বোর্নমাউথের বিরুদ্ধে ২-২ ড্র, ভক্তদের তীব্র বিরক্তি

চেলসিরা বোর্নমাউথের বিরুদ্ধে ২-২ ড্র, ভক্তদের তীব্র বিরক্তি

স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে চেলসি ও বোর্নমাউথের মধ্যে ২-২ সমতা নিশ্চিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভক্তদের কাছ থেকে তীব্র বিরক্তি প্রকাশ পায়। চেলসির নতুন কোচ এনজো মারেস্কা সম্প্রতি ভক্তদের সঙ্গে সম্পর্কের কথা বললেও, ম্যাচের মাঝখানে কোলে পার্মার গ্যাইন আঘাতের কারণে মাঠ ছাড়ার পর স্টেডিয়ামের আওয়াজে তীব্র নিন্দা শোনা যায়।

বোর্নমাউথের অধিনায়ক আন্দোনি ইরাওলা দলের রক্ষণাত্মক গঠনকে কাজে লাগিয়ে চেলসির আধিপত্যকে বাধা দেয়। প্রথমার্ধে অ্যান্টোয়ান সেমেন্যোর লম্বা থ্রো থেকে জেমস হিলের ফ্লিকের মাধ্যমে ডেভিড ব্রুকস দ্রুত দৌড়ে গোলের সুযোগ পায়, যা শেষ পর্যন্ত সমতা বজায় রাখে। সেমেন্যোর এই আক্রমণাত্মক চালনা, যদিও পেপ গুওয়ার্ডিয়োরা তাকে ম্যানচেস্টার সিটিতে স্থানান্তরের কথা ভাবছেন, চেলসির দুর্বল ডিফেন্সকে তীব্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

চেলসির সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতা অনুপস্থিত। শেষ সাতটি প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচে মাত্র একবার জয় পেয়েছে এবং বাড়িতে জয়ী অবস্থান থেকে ১৩ পয়েন্ট হারিয়েছে, যা লিগে সর্বোচ্চ সংখ্যা। মারেস্কার অধীনে দলটি আধিপত্যের মুহূর্তে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছে, ফলে সুযোগগুলোকে পয়েন্টে রূপান্তর করতে পারছে না।

বোর্নমাউথের দিকেও সমস্যার চিহ্ন দেখা যায়। গত গ্রীষ্মে মিলোস কেরকেজ, ইলিয়া জাবার্নি এবং ডিন হুইজেনের প্রস্থান পর থেকে রক্ষণাত্মক শৃঙ্খলায় ফাঁক দেখা দিয়েছে, যা চেলসির আক্রমণকে সহজে বাধা দিতে পারছে না। তবে সেমেন্যোর লম্বা থ্রো এবং বোর্নমাউথের এয়ারিয়াল চাপ চেলসির দুর্বল লেফট-ব্যাককে বিশেষভাবে প্রভাবিত করে।

মোইসেস কাইসেডো সানডে চেলসির ম্যানচেস্টার সিটিতে যাত্রা থেকে নিজেকে বাদ দিয়ে, অড্রিয়েন ট্রুফের্টের সঙ্গে সংঘর্ষে হলুদ কার্ড পেয়ে ম্যাচে অংশ নিতে পারেনি। এই ঘটনার পর চেলসির দল গঠনেও বড় পরিবর্তন আসে। অস্টন ভিলার পরাজয়ের পর পাঁচজন খেলোয়াড় পরিবর্তন করা হয়, রিস জেমস বিশ্রাম নেয় এবং মার্সেল কুকুরেল্লার বদলে মালো গাস্টো লেফট-ব্যাকের দায়িত্ব নেয়। এই পরিবর্তনগুলো দলের সমন্বয়কে প্রাথমিক পর্যায়ে ব্যাহত করে।

বোর্নমাউথের প্রস্তুতি স্পষ্ট ছিল। সেমেন্যোর থ্রো ব্যবহার করে চেলসির ডিফেন্সকে আকাশে আঘাত করে, যা চেলসির রক্ষণাত্মক গঠনকে দুর্বল করে দেয়। প্রথমার্ধে চেলসির ডিফেন্সের অস্থিরতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে, এবং বোর্নমাউথের আক্রমণাত্মক চালনা ম্যাচের গতি নির্ধারণ করে।

ম্যাচের শেষ পর্যায়ে চেলসির আক্রমণ পুনরায় জীবন্ত হয়, তবে বোর্নমাউথের সমান শক্তি বজায় থাকে। শেষ পর্যন্ত স্কোর ২-২ সমান হয়ে থাকে, যা উভয় দলের জন্যই হতাশার কারণ। চেলসির ভক্তরা ম্যাচের পরেও স্টেডিয়ামে তীব্র বিরক্তি প্রকাশ করে, যা মারেস্কার জন্য একটি চ্যালেঞ্জের ইঙ্গিত দেয়।

পরবর্তী সপ্তাহে চেলসি প্রিমিয়ার লিগের পরবর্তী ম্যাচে মুখোমুখি হবে, আর বোর্নমাউথেরও তাদের পরবর্তী প্রতিপক্ষের সঙ্গে লড়াই বাকি। উভয় দলই এই ফলাফল থেকে শিখে, পরের ম্যাচে আরও স্থিতিশীল পারফরম্যান্স প্রদর্শনের লক্ষ্য রাখবে।

৮৮/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: The Guardian – Football
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments