18 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাযশো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়ন নির্বাচন ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত, ছাত্রদের প্রতিবাদে সিদ্ধান্ত...

যশো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়ন নির্বাচন ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত, ছাত্রদের প্রতিবাদে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন

যশো বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র ইউনিয়ন (JnUcsu) এবং হল ইউনিয়ন নির্বাচন মূলত আজ নির্ধারিত ছিল, তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের জরুরি সিন্ডিকেট সভার পরে নির্বাচন ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। সিদ্ধান্তটি ছাত্রদের ক্যাম্পাসে ঘন্টা ঘন্টা চলা প্রতিবাদ ও প্রতিবন্ধকতার পর নেওয়া হয়।

সকাল প্রায় ৯টা ১৫ মিনিটে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম একটি প্রেস রিলিজের মাধ্যমে নির্বাচনের বিলম্বের ঘোষণা দেন এবং একসাথে বিএনপি চেয়ারপারসন ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর জন্য সমবেদনা প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে জরুরি সিন্ডিকেট সভা শেষে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রেস রিলিজ প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে ছাত্ররা ভিসি ভবনের সামনে জমায়েত হয়, স্লোগান শোনায় এবং প্রবেশদ্বার বন্ধ করে প্রতিবাদ শুরু করে। কিছু সময়ের মধ্যে তারা উপাচার্যের অফিসে অবরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করে, যা কয়েক ঘণ্টা চলতে থাকে।

ছাত্র ও প্রার্থীরা জানায় যে নির্বাচনের বিলম্ব তাদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে বাধা সৃষ্টি করেছে এবং তারা আজই ভোটের ব্যবস্থা চায়। তারা জোর দিয়ে বলেন যে, নির্বাচনের সময়সূচি পরিবর্তন করা হলে শিক্ষার্থীদের অধিকার ক্ষুণ্ণ হবে।

সামাজিক শাস্ত্র বিভাগের ছাত্র মাহমুদুল হাসান বলেন, “JnUcsu নির্বাচন আমাদের সর্বোচ্চ চাহিদা, আমরা যেকোনো মূল্যে ভোটের ব্যবস্থা চাই এবং কর্তৃপক্ষকে তা মেনে নিতে হবে।” তার বক্তব্যে নির্বাচনের জরুরি প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়।

অন্য একটি ছাত্র, নাসুমা তাসনিম, উল্লেখ করেন, “এটি যশো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথম কেন্দ্রীয় ছাত্র ইউনিয়ন নির্বাচন, আর শেষ মুহূর্তে বিলম্ব করা শিক্ষার্থীদের প্রতি অন্যায়। শীতল আবহাওয়ায় আমরা ভোট দিতে এসেছি, আর এখন এই সিদ্ধান্তে আমরা গভীরভাবে হতাশ।” তার মন্তব্যে শিক্ষার্থীদের হতাশা ও প্রত্যাশা ফুটে ওঠে।

প্রতিবাদ চলাকালীন ছাত্ররা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে রেলায়া গিয়ে ভিসি অফিসের দরজা বন্ধ করে রাখে এবং সারা দিন ধরে স্লোগান গাইতে থাকে। এই অবরোধের সময় শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তা গার্ডের সঙ্গে সংঘর্ষের সম্ভাবনা এড়াতে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ বজায় রাখে।

বিলম্বের পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আবারও জরুরি সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করে। সভায় উপস্থিত সদস্যরা শিক্ষার্থীদের দাবি ও বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের নতুন তারিখ নির্ধারণ করে।

সিন্ডিকেটের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে জানানো হয় যে, JnUcsu এবং হল ইউনিয়ন নির্বাচন ৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এই তারিখটি পূর্বে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় এক সপ্তাহের বেশি পিছিয়ে, তবে শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী দ্রুততম সময়ে ভোটের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবহারিক টিপস: নতুন নির্বাচনের তারিখের আগে ভোটের জন্য প্রয়োজনীয় নথি ও পরিচয়পত্র প্রস্তুত করে রাখুন, এবং ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলুন। আপনার মতামত কী? আপনি কি মনে করেন এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষা করেছে, নাকি আরও দ্রুত পদক্ষেপের প্রয়োজন ছিল?

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments