27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধবন্ডি বিচ গুলিবর্ষণে পিতা‑পুত্র একা কাজ, সেলফ‑সেলফ সেলফ‑সেলফ

বন্ডি বিচ গুলিবর্ষণে পিতা‑পুত্র একা কাজ, সেলফ‑সেলফ সেলফ‑সেলফ

অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচে ১৪ই ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একটি ইহুদি উৎসবে গুলি চালিয়ে ১৫ জনের মৃত্যু ঘটায়, সন্দেহভাজন পিতা‑পুত্র একা কাজ করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। ফেডারেল পুলিশ কমিশনার ক্রিসি ব্যারেটের মতে, এই দুজনের কোনো বৃহত্তর সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে সংযোগ পাওয়া যায়নি এবং তারা স্বাধীনভাবে পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করেছে।

সাজিদ আকরাম (৫০) এবং তার ২৪ বছর বয়সী পুত্র নাভিদ (অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক) এই হামলায় জড়িত বলে অভিযোগ। সাজিদ ১৯৯৮ সালে ভিসা পেয়ে অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশ করেন, আর নাভিদ অস্ট্রেলিয়ায় জন্মগ্রহণ করে। দুজনেই ইস্লামিক স্টেটের ধারণা দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে কাজ করেছেন বলে অনুমান করা হয়।

হামলার আগে তারা ফিলিপাইনের দক্ষিণে অবস্থিত দাভাও শহরে গিয়েছিলেন, যেখানে সিসিটিভি রেকর্ডে দেখা যায় তারা বাজেট হোটেলে বেশ সময় কাটিয়েছেন। এই ভ্রমণকে ট্যুরিস্টিক উদ্দেশ্য বলে ব্যারেট স্পষ্ট করে বলেছেন, তবে তদন্তে এখনও এই সফরের প্রকৃত কারণ নির্ণয় করা বাকি।

পুলিশের মতে, পিতা‑পুত্র বহু মাস ধরে গুলিবর্ষণের পরিকল্পনা করে আসছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার গ্রামীণ এলাকায় শটগান দিয়ে প্রশিক্ষণ নেওয়ার ছবি প্রকাশ করা হয়েছে, যা তাদের প্রস্তুতির সূচক। এছাড়া, অক্টোবর মাসে তারা একটি ভিডিও রেকর্ড করে ‘সায়োনিস্ট’দের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষা ব্যবহার করে, যেখানে ইস্লামিক স্টেটের পতাকা দেখা যায়।

হামলার সময় সাজিদ আকরাম গুলি চালানোর সময়ই পুলিশ দ্বারা গুলি করে নিহত হন। তার মৃত্যুর পর নাভিদকে গ্রেফতার করা হয় এবং বর্তমানে ১৫টি হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধের অভিযোগে জেলখানায় রাখা হয়েছে।

সিডনি শহরের নিউ ইয়ার্স ইভের পার্টিগুলো বুধবার রাত ১১টায় এক মিনিটের নীরবতা পালন করবে, যাতে শিকারের স্মরণ করা যায়। নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস মিন্স উল্লেখ করেছেন, এই নীরবতা এবং উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন অস্ত্রধারী পুলিশ টিমের উপস্থিতি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্পষ্ট বার্তা বহন করে।

নিউ ইয়ার্সের উদযাপনকালে পুলিশ উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন রাইফেলসহ গশ্বর টিম মোতায়েন করবে, যাতে কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটলে তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা যায়। মিন্সের মতে, নিরাপত্তা এখনো সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং এই ব্যবস্থা জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে।

অধিক তদন্তে পিতা‑পুত্রের দাভাও ভ্রমণের উদ্দেশ্য, ইস্লামিক স্টেটের সঙ্গে তাদের সংযোগ এবং গুলিবর্ষণের পূর্বে তারা কীভাবে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ পেয়েছে তা বিশ্লেষণ করা হবে। ব্যারেট উল্লেখ করেছেন, এখনো কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি যা দেখায় তারা কোনো বৃহত্তর সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের নির্দেশে কাজ করেছিল।

এই ঘটনার পর অস্ট্রেলিয়ার নিরাপত্তা সংস্থাগুলো দেশীয় সন্ত্রাসী হুমকির প্রতি সতর্কতা বাড়িয়ে তুলেছে এবং ভবিষ্যতে অনুরূপ আক্রমণ রোধে তদারকি বাড়াবে। তদন্ত চলাকালীন সময়ে নতুন তথ্য প্রকাশিত হলে তা জনসাধারণের সঙ্গে শেয়ার করা হবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments