22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধডিএমপির ট্রাফিক বিভাগে ট্রাফিক লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ১৬৪২টি মামলা দায়ের

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগে ট্রাফিক লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ১৬৪২টি মামলা দায়ের

ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ওপর কঠোর অভিযান চালিয়ে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) মোট ১,৬৪২টি মামলা দায়ের করেছে। এই মামলাগুলি রোববারের রাত থেকে শুরু হওয়া রাউন্ড‑আপ অপারেশনের ফল, যেখানে গাড়ি চালকদের বিভিন্ন ধরনের লঙ্ঘনের প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়।

মোট মামলার মধ্যে ২২০টি মামলা মোটামুটি একাধিক বিভাগে ভাগ করা হয়েছে, যেখানে বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, সিএনজি এবং মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ধরণের যানবাহন অন্তর্ভুক্ত। ডিএমপি জানিয়েছে, এই মামলাগুলি সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক ইউনিটের তদন্তের পর আদালতে পাঠানো হবে এবং সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী শাস্তি নির্ধারিত হবে।

মতিঝিল ট্রাফিক ইউনিটে মোট ২০টি বাস, ২টি ট্রাক, ১৫টি কাভার্ড ভ্যান, ৪৬টি সিএনজি এবং ১১০টি মোটরসাইকেলকে লক্ষ্য করে ২২০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ইউনিটের অপারেশন বিশেষত উচ্চ ট্রাফিক ঘনত্বের সময়ে লঙ্ঘনকারী চালকদের ওপর কেন্দ্রীভূত ছিল।

ওয়ারী ট্রাফিক ইউনিটে ২৪টি বাস, ১৮টি ট্রাক, ১২টি কাভার্ড ভ্যান, ১৪টি সিএনজি এবং ৪১টি মোটরসাইকেলকে অন্তর্ভুক্ত করে ১৩৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই এলাকায় অপ্রয়োজনীয় লেন পরিবর্তন এবং অপ্রকাশ্য পার্কিংয়ের অভিযোগ প্রধান ছিল।

তেজগাঁও ট্রাফিক ইউনিটে ১৯টি বাস, ৩টি ট্রাক, ১০টি কাভার্ড ভ্যান, ৪৫টি সিএনজি এবং ১৩৯টি মোটরসাইকেলকে লক্ষ্য করে ২৭৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তেজগাঁওয়ের রাস্তায় গতি সীমা অতিক্রম এবং সিগন্যাল লঙ্ঘনের সংখ্যা বিশেষভাবে বেশি ছিল।

মিরপুর ট্রাফিক ইউনিটে ১৩টি বাস, ৫টি ট্রাক, ৭টি কাভার্ড ভ্যান, ১৭টি সিএনজি এবং ৯৫টি মোটরসাইকেলকে অন্তর্ভুক্ত করে ১৬২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মিরপুরের প্রধান রাস্তায় অপ্রয়োজনীয় থামা এবং অযাচিত লেন ব্যবহার করা চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

গুলশান ট্রাফিক ইউনিটে ২৬টি বাস, ৪টি ট্রাক, ৮টি কাভার্ড ভ্যান, ২৯টি সিএনজি এবং ১৭১টি মোটরসাইকেলকে লক্ষ্য করে ৩৪১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গুলশানের ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকায় গতি সীমা অতিক্রম এবং সিগন্যাল লঙ্ঘন ব্যাপকভাবে ধরা পড়েছে।

উত্তরা ট্রাফিক ইউনিটে ৩২টি বাস, ৯টি ট্রাক, ১১টি কাভার্ড ভ্যান, ৩৬টি সিএনজি এবং ১০৪টি মোটরসাইকেলকে অন্তর্ভুক্ত করে ২৭৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। উত্তরার রাস্তায় অপ্রয়োজনীয় পার্কিং এবং লেন পরিবর্তনের অভিযোগ প্রধান ছিল।

রমনা ট্রাফিক ইউনিটে ১টি বাস, ৩টি কাভার্ড ভ্যান, ১০টি সিএনজি এবং ৩৩টি মোটরসাইকেলকে লক্ষ্য করে মোট ৯০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। রমনা অঞ্চলে সিগন্যাল লঙ্ঘন এবং অপ্রকাশ্য থামার সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হলেও, আইন প্রয়োগের কঠোরতা বজায় রাখা হয়েছে।

লালবাগ ট্রাফিক ইউনিটে ৬টি বাস, ৫টি ট্রাক, ২টি কাভার্ড ভ্যান, ১০টি সিএনজি এবং ৯৭টি মোটরসাইকেলকে অন্তর্ভুক্ত করে ১৪৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। লালবাগের রাস্তায় অপ্রয়োজনীয় থামা এবং সিগন্যাল লঙ্ঘনের ওপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে।

অভিযানের সময় মোট ২৮৮টি গাড়ি ডাম্পিং (অবৈধভাবে পার্ক করা) এবং ১৪২টি গাড়ি রিকভার করা হয়েছে। ডাম্পিং গাড়িগুলি প্রায়ই রাস্তায় বাধা সৃষ্টি করে এবং ট্রাফিক প্রবাহে ব্যাঘাত ঘটায়; রিকভার করা গাড়িগুলি সংশ্লিষ্ট মালিকদের কাছে ফেরত দেওয়া হবে।

দায়ের করা সব মামলাই সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক আদালতে পাঠানো হবে, যেখানে প্রমাণের ভিত্তিতে জরিমানা, লাইসেন্স বাতিল বা কারাবাসের মতো শাস্তি নির্ধারিত হতে পারে। ডিএমপি উল্লেখ করেছে, ভবিষ্যতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে তদনুযায়ী কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments