২০২৫ সালে ফুটবলে একাধিক চমকপ্রদ শট দেখা গিয়েছে, যেখানে বিভিন্ন লিগ ও আন্তর্জাতিক ম্যাচে খেলোয়াড়রা দূরত্ব, কৌতুকপূর্ণ কিক এবং নিখুঁত ফ্রি-কিকের মাধ্যমে দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। এই গুলোর মধ্যে রয়েছে এফএ কাপের রাউন্ডে ম্যাকলেসফিল্ড টাউনকে স্লফ টাউনের বিরুদ্ধে জেমস এডমন্ডসনের গল, তুর্কি সুপার লিগে কাসিমপাশা ও রিজেসপোর মধ্যে কেভিন রড্রিগেজের শট, এবং যুক্তরাষ্ট্রের নারী ফুটবলে আলি সেন্টনরের আন্তর্জাতিক ডেবিউতে করা দীর্ঘ শট।
জেমস এডমন্ডসন ম্যাকলেসফিল্ড টাউনকে এফএ কাপের তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছাতে সাহায্য করেন, স্লফ টাউনের স্ট্যাঞ্চনে সরাসরি বল গড়িয়ে গল করেন। একই সময়ে, কাসিমপাশা ও রিজেসপোর ম্যাচে কেভিন রড্রিগেজ দূর থেকে শক্তিশালী শট মারেন, যা ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করে। হিবস ও কিলমারনকের মধ্যে বেন ব্র্যানানের গোলও উল্লেখযোগ্য, যেখানে তিনি একা ডিফেন্স ভেদ করে স্কোর করেন।
মহিলা ফুটবলে, সিয়াটল রেইন বনাম নর্থ ক্যারোলাইনা কারেজের ম্যাচে জর্ডিন বাগের দূর থেকে গলটি দর্শকদের মুগ্ধ করে। একই সময়ে, রোসারিও সেন্ট্রালের জন্য ফিরে আসা অ্যাঞ্জেল দিমারিয়াও নিউইলস ওল্ড বয়েজের ডার্বিতে শেষ মুহূর্তে ফ্রি-কিকের মাধ্যমে জয় নিশ্চিত করেন। অস্ট্রেলিয়ার কাইরা কুনি-ক্রসও ৪০ গজ দূর থেকে জার্মান গোলকিপারকে চমকে দিয়ে শট মারেন, যদিও তিনি সহকর্মীকে পাসের সুযোগও পেতে পারতেন।
কুয়েরেতারোর কার্লোস অর্রান্তিয়ার আরেকটি স্মরণীয় শট ছিল, যেখানে তিনি আটলাসের বিরুদ্ধে শটের আগে দু’টি টাচ দিয়ে নিজেকে স্থান তৈরি করে শীর্ষ কোণে বল পাঠান। লিবিয়ার মাহমুদ আল-শালওই ক্যাপ ভার্দের সঙ্গে ৩-৩ ড্রয়ে ৩৫ গজ দূর থেকে ফ্রি-কিক মারেন, যা নেটের কাছাকাছি পৌঁছায়। আরসেনালের ডিক্লান রাইস চ্যাম্পিয়ন্স লিগ কোয়ার্টার ফাইনালে থিবাউ কুর্তোয়েসকে ২৫ গজ থেকে শট দিয়ে গোল করেন, এবং একই ম্যাচে দু’বার স্কোর করেন।
ভুটান প্রিমিয়ার লিগে পারো এফসি’র কেজাং দোরজির শটটি ক্যামেরা কোণ থেকে দৃশ্যমান, যেখানে তিনি দূর থেকে বলকে গলপোস্টে গিয়ে গল করেন। একইভাবে, আটলেটিকো মাইনিরোর গুস্তাভো স্কার্পা একটি শক্তিশালী শট দিয়ে স্কোর করেন, যা ভক্তদের মধ্যে প্রশংসা পায়। এস্টন ভিলার কির্স্টি হ্যানসনের শটও উচ্চ প্রশংসা পেয়েছে, যেখানে তিনি দীর্ঘ দূরত্ব থেকে গল করেন।
ওয়েস্ট হ্যামের ভিভিয়ান্নে আসেইওই একটি দৌড়ে ক্রিস্টাল প্যালেসের বিরুদ্ধে দীর্ঘ দূরত্বের স্ক্রিমার মারেন, যা ম্যাচের প্রবাহকে পরিবর্তন করে। যুক্তরাষ্ট্রের আলি সেন্টনর প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচে শটটি দিয়ে নিজের ডেবিউকে স্মরণীয় করে তোলেন। শেষমেশ, স্পেনের মারিওনা ক্যালডেন্টে আটটি ডিফেন্সারকে অতিক্রম করে এক চমকপ্রদ শট মারেন, যা তার দক্ষতার নিদর্শন।
এই গোলগুলো বিভিন্ন লিগ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ঘটেছে, যেখানে প্রতিটি শটের পেছনে খেলোয়াড়ের প্রযুক্তি, শারীরিক ক্ষমতা এবং মুহূর্তের বোধগম্যতা কাজ করেছে। আগামী সপ্তাহে এফএ কাপের পরবর্তী রাউন্ড, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনাল এবং নারী ফুটবলের আন্তর্জাতিক বন্ধুত্বপূর্ণ ম্যাচে আরও চমকপ্রদ শটের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।



