বিনোদন জগতের দুই প্রবীণ শিল্পী হানসাল মেহতা এবং অনুপম খেরের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে তীব্র মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। মেহতা ‘দ্য এক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’ ছবির সৃজনশীল পরিচালক ও ক্যামিও ভূমিকায় ছিলেন, আর খের চলচ্চিত্রের সমালোচক হিসেবে নিজেকে প্রকাশ করেছেন। উভয়ের মধ্যে কথোপকথনটি চলচ্চিত্রের বিষয়বস্তু, পরিচালনা ও রাজনৈতিক সংবেদনশীলতা নিয়ে কেন্দ্রীভূত।
‘দ্য এক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’ ২০১৮ সালে মুক্তি পায় এবং ডঃ মনোমোহন সিংয়ের ২০০৪ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকালকে ভিত্তি করে তৈরি। ছবিটি ডঃ সিংয়ের রাজনৈতিক জীবনের কিছু বিতর্কিত দিককে নাট্যরূপে উপস্থাপন করে, ফলে প্রকাশনা ও দর্শকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
হানসাল মেহতা ছবির সৃজনশীল দিকনির্দেশনা তত্ত্বাবধানের পাশাপাশি ওডিশার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নেভেন পাটনায়কের চরিত্রে সংক্ষিপ্ত উপস্থিতি রেখেছেন। তিনি চলচ্চিত্রের কাস্টিং, শুটিং শিডিউল এবং সামগ্রিক স্টাইল গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
ডঃ সিংয়ের মৃত্যুর পর মেহতা ছবির সঙ্গে যুক্ত থাকার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ছবির কিছু অংশ তার চিত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে বলে ক্ষমা চান। এই প্রকাশের পর অনুপম খের মেহতার মন্তব্যকে কঠোর সমালোচনা করেন এবং তাকে চলচ্চিত্রের সৃজনশীল দায়িত্বের ভিত্তিতে নৈতিকভাবে সমালোচনা করা অনুচিত বলে উল্লেখ করেন।
খেরের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মেহতা বলেন, তিনি অনুপম খেরকে একজন প্রবীণ শিল্পী হিসেবে সম্মান করেন এবং তার ‘সারাংশ’ চলচ্চিত্রই তাকে চলচ্চিত্র নির্মাণের পথে চালিত করেছে। তবে দীর্ঘ সময় একসাথে কাজ করার পরেও, মেহতা আশা করেন যে খের তার প্রতি কোনো অবমাননাকর শব্দ ব্যবহার থেকে বিরত থাকবেন।
মেহতা আরও জানান, যদি তার কোনো মন্তব্য অনুপম খেরকে আঘাত করে থাকে, তবে তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করতে প্রস্তুত, তবে এই ক্ষমা তার মতবিরোধের দৃঢ়তা বা বিশ্বাসের পরিত্যাগের সূচক নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, খেরের পুরনো টুইট তুলে ধরা, নামকরণ করা এবং কোনো গোপন উদ্দেশ্য নির্দেশ করা তার উদ্দেশ্য নয়।
মেহতা প্রশ্ন তোলেন, তিনি ৩৫ দিন শুটিং সাইটে ছিলেন, তা কি কোনো পিকনিকের মতো ছিল? তিনি এই প্রশ্নের মাধ্যমে খেরের ইঙ্গিতের প্রকৃত অর্থ স্পষ্ট করতে চান। মেহতা উল্লেখ করেন, ছবিটি তার সময়ে বাণিজ্যিকভাবে সফল হয়েছে এবং নির্মাতারা তাদের লক্ষ্য অর্জন করেছে বলে তারা সন্তুষ্ট।
চলচ্চিত্রের গুণগত দিক নিয়ে মেহতা স্বীকার করেন, তিনি চরিত্রের ব্যাখ্যা, একমাত্রিকতা, টোন, গতি এবং সামগ্রিক সম্পাদনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, চলচ্চিত্রের দিকনির্দেশনা মূলত পরিচালকের দায়িত্ব, এবং তিনি প্রয়োজনমতো পরিচালককে সহায়তা করেছেন।
‘দ্য এক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’ পরিচালনা করেছেন ভিজয় গুটে, যিনি প্রথমবারের মতো পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন এবং নিজের দৃষ্টিভঙ্গি ও উদ্দেশ্যে দৃঢ় ছিলেন। মেহতা কাস্টিং নির্বাচন ও শুটিং ব্যবস্থাপ



