ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) যদি ২০২৯ সালে বাংলাদেশ থেকে গার্মেন্টসের উপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে, তবে রপ্তানিকারকরা প্রায় ৪ শতাংশ দাম কমিয়ে বাজারে টিকে থাকতে পারে, এমন ফলাফল একটি নতুন গবেষণায় প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষণাটি ঢাকা শহরে অনুষ্ঠিত একটি সম্মেলনে রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট (RAPID) ও ইন্টারন্যাশনাল গ্রোথ সেন্টার (IGC) যৌথভাবে উপস্থাপন করেছে। শুল্ক আরোপের সম্ভাবনা ২০২৯ সালের পরই বাস্তবায়িত হবে, যখন বর্তমান পছন্দসই শর্ত শেষ হবে।
শুল্ক পাস-থ্রু বলতে বোঝায় রপ্তানিকারকরা শুল্কের বোঝা কতটা ক্রেতাদের দামে স্থানান্তর করে। গবেষণায় দেখা যায়, শুল্কের প্রায় ৪০ শতাংশ রপ্তানিকারক নিজেই শোষণ করবে, ফলে ইউরোপীয় ক্রেতা শুল্কের পুরো পরিমাণ বহন করবে না। এর ফলে ইউরোপীয় ক্রেতাদের জন্য পণ্যের চূড়ান্ত মূল্য শুল্কের পূর্বের মূল্যের তুলনায় প্রায় ৬ শতাংশ কমে যাবে।
বাংলাদেশ ২০২৬ সালে সর্বনিম্ন উন্নত দেশ (LDC) মর্যাদা ত্যাগ করবে, ফলে ২০২৯ পর্যন্ত চলমান “Everything But Arms” (EBA) স্কিমের অধীনে থাকা শুল্ক-মুক্ত ও কোটা-মুক্ত সুবিধা শেষ হবে। এই সময়ে গার্মেন্টস রপ্তানি, যার অধিকাংশই কমমূল্যের পোশাক, সর্বোচ্চ ১২ শতাংশের সর্বোচ্চ সুবিধাপ্রাপ্ত জাতি (MFN) শুল্কের মুখোমুখি হবে। গার্মেন্টস রপ্তানির ৯০ শতাংশেরও বেশি পণ্য কমমূল্যের পোশাক, যা শুল্কের প্রভাবের প্রতি বেশি সংবেদনশীল।
গবেষকরা তুলনামূলক রপ্তানি দেশগুলোর ভিত্তিতে একটি কন্ট্রাফ্যাকচুয়াল মূল্য মডেল তৈরি করে শুল্কের প্রভাব বিশ্লেষণ করেছেন। মডেলটি



