22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিমার্চে নেপালের পার্লামেন্টারী নির্বাচনে বালেন্দ্র শাহ ও রাবি লাছিমান জোট গঠন

মার্চে নেপালের পার্লামেন্টারী নির্বাচনে বালেন্দ্র শাহ ও রাবি লাছিমান জোট গঠন

নেপালের মার্চ মাসে নির্ধারিত পার্লামেন্টারী নির্বাচনে, জনপ্রিয় র‍্যাপার‑মেয়র বালেন্দ্র শাহ এবং প্রাক্তন টেলিভিশন উপস্থাপক রাবি লাছিমান রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি)‑এর সঙ্গে জোট গঠন করে, আরএসপি জয়ী হলে ৩৫ বছর বয়সী বালেনকে প্রধানমন্ত্রী এবং ৪৮ বছর বয়সী লাছিমানকে পার্টি প্রধান হিসেবে রাখার চুক্তি করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর মাসে জেন জি আন্দোলন নামে পরিচিত তরুণদের নেতৃত্বে একটি গণঅভ্যুত্থান ঘটেছিল, যার ফলে ৭৭ জনের মৃত্যু এবং প্রধানমন্ত্রী কে.পি. শর্মা ওলির পদত্যাগের পর, একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়। এই সরকার এখন নির্বাচনের তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে রয়েছে।

বালেন্দ্র শাহ, যিনি পূর্বে কাঠমান্ডুর মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন, এবং রাবি লাছিমান, যিনি টেলিভিশন জগতে পরিচিত, উভয়েই এই জোটে যোগ দিয়ে আরএসপি‑কে নতুন শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। উভয় নেতাই আন্দোলনের সময়ের দাবি পূরণে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের অধিকার ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে।

চুক্তি অনুসারে, আরএসপি যদি নির্বাচনে সাফল্য অর্জন করে, তবে বালেনকে দেশের প্রধানমন্ত্রীর পদে নিয়োগ করা হবে, আর লাছিমান পার্টির নেতৃত্ব বজায় রাখবেন। এই পরিকল্পনা উভয় নেতার তরুণ সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সমর্থন পেয়েছে, কারণ তারা আন্দোলনের সময়ের অগ্রগতি চালিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য রাখছে।

সেপ্টেম্বরের গণঅভ্যুত্থানের সময় ৭৭ জনের মৃত্যু এবং প্রধানমন্ত্রী শর্মা ওলির পদত্যাগের পর, নতুন সরকার গঠন করা হয়েছিল। বালেন সেই সময়ের অঘোষিত তরুণ নেতা হিসেবে উন্মোচিত হন এবং প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশিলা কার্কির নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনে সহায়তা করেন, যা এখন নির্বাচনের তত্ত্বাবধান করবে।

বিশ্লেষক বিপিন অধিকারী উল্লেখ করেছেন, বালেন ও তার তরুণ সমর্থকদের সঙ্গে আরএসপির এই জোট ঐতিহ্যবাহী দলগুলোর জন্য একটি কৌশলগত চ্যালেঞ্জ, কারণ তারা তরুণ ভোটারদের হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। দেশের নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, নেপালের প্রায় ১.৯ কোটি ভোটার রয়েছে, যার মধ্যে গত বছর গণঅভ্যুত্থানের পর প্রায় ১০ লাখ নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছে, বেশিরভাগই তরুণ।

বালেনের রাজনৈতিক যাত্রা এখন দেশের কেন্দ্রীয় মঞ্চে পৌঁছেছে। তিনি আন্দোলনের সময় সামাজিক মাধ্যমে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতা দিয়েছেন, তবে সমালোচকরা দাবি করেন যে তিনি সরাসরি মঞ্চে উপস্থিত হননি। তবুও, তার জনপ্রিয়তা এবং তরুণ ভোটারদের সমর্থন তাকে নেপালের রাজনীতিতে নতুন শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

পূর্বে নেপালের ক্ষমতার শীর্ষে কমিউনিস্ট পার্টি (ইউএমএল) এবং নেপালি কংগ্রেস পার্টি দীর্ঘ তিন দশক ধরে শাসন করেছে। এখন এই ঐতিহ্যবাহী দলগুলো বালেনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে, যা দেশের রাজনৈতিক গতিপথে পরিবর্তন আনতে পারে। বিশ্লেষকরা ভবিষ্যৎকে নিয়ে সতর্ক দৃষ্টিতে দেখছেন, কারণ নতুন জোটের সাফল্য নেপালের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার দিক পরিবর্তন করতে পারে।

মার্চের নির্বাচনের দিন নিকটবর্তী হওয়ায়, সব রাজনৈতিক দলই তাদের প্রচারাভিযান তীব্র করে চলেছে। আরএসপি‑এর জোটের পারফরম্যান্স এবং বালেনের নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতা দেশের পরবর্তী শাসন কাঠামো নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments