জন লেজেন্ড ২৮ ডিসেম্বর নিউ ইয়র্কের স্লুমু ইনস্টিটিউটে পরিবারসহ জন্মদিন উদযাপন করেন। ৪৭ বছর পূর্ণ হওয়া এই গায়ক-গীতিকার তার স্ত্রী ক্রিসি টিগেন এবং চার সন্তানকে নিয়ে ইন্টারেক্টিভ স্লাইম আকর্ষণে অংশ নেন।
স্লুমু ইনস্টিটিউটের রঙিন স্লাইম স্টেশনগুলোতে শিশুরা হাতের ছোঁয়ায় রঙের ঝলক দেখায়, আর লেজেন্ড হাসি মুখে তাদের সঙ্গে খেলতে থাকেন। পরিবারটি স্লাইমে ডুবে গিয়ে রঙিন গ্লাসের মতো দৃশ্য তৈরি করে, যা দর্শকদের দৃষ্টিগোচর আনন্দ দেয়।
ক্রিসি টিগেন ইন্সটাগ্রামে এই মুহূর্তগুলো শেয়ার করেন, যেখানে তিনি পরিবারের স্লাইমে ডুবে থাকা ছবিগুলো পোস্ট করে “NYC ত্যাগের আগে আরেকটি মুহূর্ত 🥹 আমরা স্লুমু ইনস্টিটিউটকে ভালোবাসি!” লিখেছেন। ছবিগুলোতে লেজেন্ডের হাসি এবং শিশুরা রঙিন স্লাইমে মেতে ওঠা স্পষ্ট দেখা যায়।
দম্পতির সন্তানদের নাম ও বয়স হল: লুনা সিমোন, ৯ বছর; এস্টি ম্যাক্সিন, ২ বছর; মাইলস থিওডোর, ৭ বছর; এবং রেন আলেক্সান্ডার, ২ বছর। চারটি শিশুই স্লাইমের মধ্যে আনন্দে মেতে ওঠে, রঙের ছিটা তাদের পোশাকে ছড়িয়ে দেয় এবং পারিবারিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে।
এই জন্মদিন উদযাপনটি পরিবারের ছুটির ব্যস্ত সময়ের শেষের চিহ্ন। একই মাসে লেজেন্ড, টিগেন এবং সন্তানরা লস এঞ্জেলেসের ক্রিপ্টো.কম আরেনায় ডিজনি অন আইস শোতে অংশ নেন, যেখানে মিকি ও মিনি মাউসের সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ পেয়েছেন।
জন ও ক্রিসি ২০১৩ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং তখন থেকে চারটি সন্তানের গর্বিত পিতা-মাতা। তাদের পারিবারিক জীবন ও কর্মজীবন উভয়ই মিডিয়ার দৃষ্টিতে আকর্ষণীয় হয়ে রয়েছে।
সঙ্গীত ক্ষেত্রে লেজেন্ডের সাম্প্রতিক সাফল্যও উল্লেখযোগ্য। তার ট্যাশা কোবস লিওনার্ডের সঙ্গে গাওয়া “চার্চ” গানে বিলবোর্ড গসপেল এয়ারপ্লে চার্টে শীর্ষে উঠে প্রথমবারের মতো তার নাম শীর্ষে দেখা যায়। একই সঙ্গে কোবস লিওনার্ডের দশমবার শীর্ষে পৌঁছানোর গৌরবও এই গানে যুক্ত হয়েছে।
লেজেন্ড গির্জায় গেয়ে বড় হওয়ার কথা উল্লেখ করে গসপেল সঙ্গীতের ঐতিহ্যের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন। তিনি গসপেল রেডিও ও চার্চের ভূমিকা নিয়ে কথা বলে, এই গানটি শীর্ষে পৌঁছানো এবং গসপেল ক্যাটেগরিতে প্রথম গ্র্যামি মনোনয়ন পাওয়া দুটোই তার জন্য আশীর্বাদ বলে উল্লেখ করেন।
“চার্চ” গানের গ্র্যামি মনোনয়নটি সর্বোচ্চ গসপেল পারফরম্যান্স/গান ক্যাটেগরিতে রয়েছে, যা ফেব্রুয়ারি ১ তারিখে অনুষ্ঠিত গ্র্যামি পুরস্কার অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিতরণে প্রতিযোগিতা করবে। এই স্বীকৃতি লেজেন্ডের সঙ্গীত যাত্রায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
জন লেজেন্ডের জন্মদিন উদযাপন ও সঙ্গীতের নতুন মাইলফলক দুটোই তার বহুমুখী ক্যারিয়ারকে তুলে ধরে। পরিবারিক আনন্দের সঙ্গে পেশাগত সাফল্যকে একসাথে উপভোগ করা তার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পাঠকবৃন্দকে পরামর্শ: পরিবারিক সময়কে মূল্যায়ন করে এমন সৃজনশীল কার্যকলাপ, যেমন স্লাইম অভিজ্ঞতা বা থিম পার্ক ভ্রমণ, জীবনের রঙিন মুহূর্ত তৈরি করতে পারে। এমন ছোটখাটো আনন্দের মাধ্যমে পারিবারিক বন্ধনকে আরও মজবুত করা সম্ভব।



