20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধমেজর সাদেকুল হকের ওপর গোপন সভা মামলায় পাঁচ দিনের রিম্যান্ড

মেজর সাদেকুল হকের ওপর গোপন সভা মামলায় পাঁচ দিনের রিম্যান্ড

ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান আজ মেজর সাদেকুল হককে গোপন সভা সংক্রান্ত মামলায় পাঁচ দিনের রিম্যান্ডের আদেশ দেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, এই সভায় আওয়ামী লীগের কিছু সদস্য ও নিষিদ্ধ ছাত্রশাখা ছাত্রলীগের অংশগ্রহণ ছিল।

ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চের ইনস্পেক্টর মো. জেহাদ হোসেন আদালতে উপস্থিত হয়ে সাত দিনের রিম্যান্ডের আবেদন করেন, যা আদালত শোনার পর রিম্যান্ডের সময়সীমা পাঁচ দিন নির্ধারণ করে। আদালতে উপস্থিত সাব‑ইনস্পেক্টরও এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

সেই দিনই সাদেকুলকে গ্রেফতার হওয়া হিসেবে আদালতে দেখানো হয়। তিনি ১৭ জুলাই তার উত্তরা বাসা থেকে নিরাপত্তা সংস্থার মাধ্যমে আটক হয়ে সামরিক হেফাজতে নেওয়া হয়।

সামরিক আদালতে তিন মাস জেল শাস্তি পেয়ে ২৯ অক্টোবর তিনি সশস্ত্র বাহিনীর পদ থেকে বরখাস্ত হন।

রিম্যান্ডের পিটিশনে উল্লেখ আছে, সাদেকুল ওই বছরের ৩ ও ৮ জুলাই কেবি কনভেনশন সেন্টারে দুইটি সভার প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করেন। এই সভাগুলো সকাল দশটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত চলে এবং এতে প্রায় তিন থেকে চার শতজন উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কর্মী অন্তর্ভুক্ত।

৬ আগস্ট সাদেকুলের স্ত্রী সুমাইয়া তাহমিদ জাফরিনকে মিরপুর ডিওএইচএসের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় এবং তাকে একই মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।

পুলিশ ১৩ জুলাইই ভাটারা থানা থেকে এই মামলাটি অ্যান্টি‑টেররিজম আইনের অধীনে দায়ের করে। এখন পর্যন্ত তদন্তে ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা জড়িত এবং অতিরিক্ত সাক্ষী ও প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে।

ম্যাজিস্ট্রেটের রিম্যান্ড আদেশের ফলে সাদেকুল আগামী পাঁচ দিন পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে থাকবেন; রিম্যান্ডের সময়সীমা শেষ হলে আদালত পুনরায় শোনার মাধ্যমে রিম্যান্ড বাড়ানো হবে কি না তা নির্ধারণ করবে।

অধিক তদন্তের পরবর্তী ধাপগুলোতে আরও আদালতিক শুনানি ও সম্ভাব্য অতিরিক্ত গ্রেফতার হতে পারে। আইনগত দিক থেকে মামলাটি অ্যান্টি‑টেররিজম আইনের ধারা অনুযায়ী চলমান, যা নিরাপত্তা সংক্রান্ত গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুমতি দেয়।

এই ঘটনার সময়সীমা দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে, যা ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার নির্ধারিত, রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে। নির্বাচনের নিকটবর্তী সময়ে এমন মামলাগুলো রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে বিশেষ গুরুত্ব পায়, তবে আদালত ও তদন্তকারী সংস্থার কাজ আইনি ভিত্তিতে চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments