হার্ষভর্ধন রাণে শুটআউট ফ্র্যাঞ্চাইজের নতুন প্রকল্প ‘শুটআউট ইন দুবাই’ তে প্রধান চরিত্রে দেখা দিতে পারেন, তবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ নেই। এই চলচ্চিত্রটি দুবাইয়ের আধুনিক পটভূমিতে গাঁথা একটি কাল্পনিক অপরাধ কাহিনী উপস্থাপন করবে বলে জানা যায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী একতা আর. কাপুর এবং অভিজ্ঞ পরিচালক সংযে গুপ্তা এই প্রকল্পের প্রযোজক হিসেবে কাজ করছেন। বর্তমানে স্ক্রিপ্টের বিভিন্ন খসড়া প্রস্তুত রয়েছে, তবে কাস্ট, ক্রু ও মুক্তির তারিখ সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশিত হয়নি.
শুটআউট সিরিজের প্রথম অংশ ২০০৭ সালে ‘শুটআউট অ্যাট লোকহান্দওয়ালা’ নামে মুক্তি পায়, যা মুম্বাইয়ের এক বিশিষ্ট পুলিশ মুখোমুখি ঘটনার নাট্যিক উপস্থাপনা ছিল। পরের অংশ ২০১৩ সালে ‘শুটআউট অ্যাট ওয়াডালা’ নামে প্রকাশিত হয়, দুটোই একতা কাপুর ও সংযে গুপ্তার যৌথ প্রযোজনায় তৈরি। এই দুই চলচ্চিত্র বাস্তব ঘটনার ভিত্তিতে তীব্র অ্যাকশন ও নাটকীয়তা নিয়ে দর্শকদের প্রশংসা অর্জন করে.
নতুন প্রকল্পটি সিরিজের প্রথম আন্তর্জাতিক সংস্করণ হিসেবে বিবেচিত, যেখানে মুম্বাইয়ের বদলে দুবাইয়ের বহুমুখী শহুরে দৃশ্যপটকে পটভূমি হিসেবে ব্যবহার করা হবে। গল্পটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক হলেও শুটআউট সিরিজের স্বতন্ত্র তীব্রতা ও রোমাঞ্চ বজায় রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দুবাইয়ের গ্ল্যামার এবং অপরাধ জগতের মিশ্রণকে কেন্দ্র করে একটি নতুন ধরণের গ্যাংস্টার থ্রিলার তৈরি করার লক্ষ্য রয়েছে.
স্ক্রিপ্টের কাজ ২০২১ সাল থেকে শুরু হয়ে এখন পর্যন্ত একাধিক খসড়া তৈরি হয়েছে। রচয়িতারা মূল সিরিজের তীব্র পরিবেশ ও দৃশ্যমান প্রভাবকে পুনরায় তৈরি করতে বিশেষ মনোযোগ দিয়েছেন, যাতে দর্শকরা পূর্বের অংশের মতোই উত্তেজনা অনুভব করতে পারেন। তবে পূর্বের অংশগুলোর তুলনায় এই সংস্করণটি সম্পূর্ণভাবে কাল্পনিক, তাই বাস্তব ঘটনার ওপর নির্ভরশীলতা কম থাকবে.
হার্ষভর্ধন রাণের জন্য এই প্রকল্পটি তার ক্যারিয়ারে নতুন দিক উন্মোচনের সম্ভাবনা রাখে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তিনি তরুণ অভিনেতা হিসেবে উল্লেখযোগ্য স্থান অর্জন করেছেন, বিশেষ করে ‘সানাম তেরি কাসাম’ পুনঃপ্রকাশ এবং ২০২৫ সালের রোমান্টিক ড্রামা ‘এক দিওয়ানে কি দিওয়ানিয়াত’ বাণিজ্যিক সাফল্য পেয়েছে। এই সাফল্যগুলো তাকে অ্যাকশন ও গ্যাংস্টার জঁরেও সুযোগের দরজা খুলে দিয়েছে.
যদিও রাণের নাম প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, তবে এখনো কোনো পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা মন্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রযোজক দলও রাণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আগে বা চলচ্চিত্রের অগ্রগতি সম্পর্কে জনসাধারণকে জানাতে কোনো বিবৃতি প্রকাশ করেনি। তাই এই তথ্যগুলোকে গুজব হিসেবে নয়, সম্ভাব্য পরিকল্পনা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত.
শুটআউট ফ্র্যাঞ্চাইজের ভক্ত এবং চলচ্চিত্র শিল্পের পর্যবেক্ষকরা এই নতুন প্রকল্পের অগ্রগতি ঘনিষ্ঠভাবে অনুসরণ করছেন। দুবাইয়ের আন্তর্জাতিক পটভূমি এবং রাণের তাজা উপস্থিতি সিরিজকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। তবে চূড়ান্ত কাস্ট, মুক্তির তারিখ ও প্রচার পরিকল্পনা নির্ধারিত না হওয়ায় অপেক্ষা অব্যাহত রয়েছে.
সংক্ষেপে, হার্ষভর্ধন রাণে শুটআউট ইন দুবাই প্রকল্পে যুক্ত হতে পারেন, তবে এখনো তা নিশ্চিত নয়। একতা কাপুর ও সংযে গুপ্তা এই চলচ্চিত্রের প্রযোজনা ও দিকনির্দেশনা পরিচালনা করছেন, এবং স্ক্রিপ্টের কাজ চলমান। সিরিজের প্রথম আন্তর্জাতিক সংস্করণ হিসেবে দুবাইকে পটভূমি বেছে নেওয়া নতুন দৃষ্টিকোণ এনে দিতে পারে, তবে বিস্তারিত জানার জন্য আরও তথ্যের অপেক্ষা থাকবে.



