20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিনামিনেশন জমা শেষের দিন, দলগুলো শেষ মুহূর্তে তালিকা চূড়ান্তের তাগিদ

নামিনেশন জমা শেষের দিন, দলগুলো শেষ মুহূর্তে তালিকা চূড়ান্তের তাগিদ

আজ ২৯ ডিসেম্বর, জাতীয় পার্লামেন্টের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচনের জন্য নামিনেশন পত্র জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমা শেষ হয়েছে। নির্বাচনী কমিশনের নির্দেশ অনুসারে, সব রাজনৈতিক দল এখন শেষ মুহূর্তে তাদের প্রার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত করার জন্য তীব্র আলোচনায় লিপ্ত।

ইলেকশন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বিকাল ২:৩০ টার দিকে প্রাথমিক হিসাব দেখায় কমপক্ষে ২,৭৮০টি নামিনেশন পত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা রুহুল আমিন মোল্লিক উল্লেখ করেন, সব পত্রই স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৈধ প্রার্থীরূপে গণ্য হবে না; তবে শেষ দিনেও আরও বড় পরিমাণে পত্র জমা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিকালের ৫ টার দিকে আপডেটেড তথ্য প্রকাশ পায়, যেখানে মোট ৩,১৪৪টি নামিনেশন পত্র সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানানো হয়। একই সময়ে, কমিশনের সেক্রেটারি আকথার আহমেদ একটি অর্ধ-সরকারি চিঠিতে গৃহ মন্ত্রণালয়কে আহ্বান জানান, যাতে ১৩তম জাতীয় পার্লামেন্টীয় নির্বাচন এবং একই দিনে নির্ধারিত জুলাই চার্টার রেফারেন্ডামের জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা যায়।

মোল্লিক আরও জানান, বিএনপি’র কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান তারিক রহমানের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, ফলে তিনি নিবন্ধিত ভোটার হওয়ায় সাধারণ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। নামিনেশন পত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৯ ডিসেম্বর, এবং পরবর্তী পর্যায়ে রিটার্নিং অফিসাররা ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত পত্রগুলো পর্যালোচনা করবেন।

পর্যালোচনার ফলাফল নিয়ে আপিলের সময়সীমা ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি নির্ধারিত, এরপর ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ইসিসি আপিলগুলো নিষ্পত্তি করবে। প্রার্থীদের জন্য শেষ প্রত্যাহার তারিখ ২০ জানুয়ারি, এবং চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা ২১ জানুয়ারিতে প্রকাশিত হবে। তালিকায় প্রতিটি প্রার্থীর জন্য প্রতীক বরাদ্দের কাজ ২২ জানুয়ারি সম্পন্ন হবে, যা নির্বাচনী প্রচারের আনুষ্ঠানিক সূচনা চিহ্নিত করবে; প্রচারাভিযান ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭:৩০ টা পর্যন্ত চলবে।

গত সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো বড় দল ৩০০টি সংসদীয় আসনের জন্য সম্পূর্ণ তালিকা চূড়ান্ত করতে পারেনি, যদিও প্রস্তুতি দ্রুত এগোচ্ছে। বিএনপি সূত্র অনুযায়ী, তারা ইতিমধ্যে ২৭২টি আসনের জন্য প্রার্থী নির্ধারণ করেছে, আর ১৫টি আসন অন্য দলগুলোর সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হয়েছে, যারা সমসাময়িকভাবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি সমন্বিত আন্দোলনে অংশগ্রহণ করছে।

এই শেষ মুহূর্তের তাগিদে, সব প্রধান দলই কৌশলগত সমন্বয় এবং ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করতে ব্যস্ত। নির্বাচনী কমিশনের তত্ত্বাবধানে নামিনেশন পত্রের বৈধতা, আপিল প্রক্রিয়া এবং শেষ পর্যন্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশের সময়সূচি নির্ধারিত হয়েছে, যা দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে নতুন দিকনির্দেশনা তৈরি করবে।

নামিনেশন পত্রের জমা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে, পার্টিগুলো এখন নির্বাচনী প্রচারের প্রস্তুতিতে মনোনিবেশ করবে, যেখানে প্রতীক বরাদ্দ, ভোটার সংযোগ এবং নির্বাচনী ম্যানিফেস্টের প্রকাশনা প্রধান কাজ হবে। এই পর্যায়ে পার্টিগুলোর কৌশলগত পদক্ষেপ এবং গঠনমূলক সিদ্ধান্তগুলো দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments