শ্রুতি হাসান ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ‘কন্নাকুজিকারা’ শিরোনামের নতুন ট্যামিল গীত প্রকাশ করেছেন। এই গানটি মাইস্কিনের পরিচালিত, ভিকি সেথুপতির সঙ্গে শিরোনাম চরিত্রে অভিনয় করা ‘ট্রেন’ ছবির অংশ হিসেবে রিলিজ হয়েছে। গানের প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে ছবির সুরের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর হিসেবে গানের ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছে।
‘কন্নাকুজিকারা’ গানে শ্রুতি নিজস্ব কণ্ঠে আবেগময় স্বর তুলে ধরেছেন, যা ছবির বর্ণনায় গভীরতা যোগ করবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন। গানের সুর ও কথায় এমন একটি মেলোডি রয়েছে যা গল্পের টানাপোড়েন মুহূর্তগুলোকে আরও স্পর্শযোগ্য করে তুলবে।
মাইস্কিনের ‘ট্রেন’ ছবিটি ট্যামিল সিনেমার নতুন প্রকল্প, যেখানে তিনি ভিকি সেথুপতির সঙ্গে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করবেন। ছবিটি এখনও মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে, তবে গানের মাধ্যমে দর্শকদের প্রথমই ছবির টোনের একটি ঝলক দেখা গেছে। মাইস্কিনের স্বতন্ত্র স্টাইল ও দৃশ্যমান বর্ণনা এই গানের সঙ্গে মিলে একটি অনন্য সংমিশ্রণ তৈরি করেছে।
শ্রুতি হাসান গানের কাজের পাশাপাশি ছবিতে তার অভিনয় ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলছেন, মাইস্কিনের সঙ্গে কাজ করা তার জন্য একটি আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা এবং সৃজনশীল দিক থেকে সমৃদ্ধিকর হয়েছে। এই মন্তব্য থেকে স্পষ্ট হয় যে তিনি পরিচালক ও তার দৃষ্টিভঙ্গিকে উচ্চ প্রশংসা করেন।
‘কন্নাকুজিকারা’ গানের লিরিক্স ছবির মূল থিমের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ, যেখানে মানবিক সম্পর্কের জটিলতা ও অন্তর্নিহিত অনুভূতিগুলোকে তুলে ধরা হয়েছে। গানের সুরের নরমতা ও শব্দের গঠন ছবির নাটকীয় মুহূর্তে একটি সান্ত্বনা প্রদান করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গানটি প্রকাশের পর থেকে ট্যামিল সিনেমা প্রেমিকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে গানের প্রথম শোনার পর ভক্তরা তার কণ্ঠের মাধুর্য ও গানের সুরের প্রশংসা করে মন্তব্য করছেন। এই প্রতিক্রিয়া ছবির প্রচারকে আরও শক্তিশালী করার সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
শ্রুতি হাসানের ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল অভিনেত্রী হিসেবে, পরে তিনি গায়কী দিকেও সফলভাবে প্রবেশ করেন। ‘কন্নাকুজিকারা’ গানের মাধ্যমে তিনি আবারও তার বহুমুখী প্রতিভা প্রদর্শন করেছেন, যেখানে গায়ন ও অভিনয় একসাথে মিশে একটি সমন্বিত শিল্পকর্ম গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।
‘ট্রেন’ ছবিতে ভিকি সেথুপতি ও শ্রুতি হাসান প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করবেন, এবং ছবির মুক্তি এই বছরের শেষের দিকে নির্ধারিত হয়েছে। ছবির নির্মাণে মাইস্কিনের স্বতন্ত্র দৃষ্টিভঙ্গি ও গল্পের গঠনকে গানের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি সমগ্রিক অভিজ্ঞতা তৈরি করা হচ্ছে।
গানটি ছবির সাউন্ডট্র্যাকের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে, এবং ছবির সঙ্গে একই সময়ে প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। শ্রুতি হাসানের কণ্ঠে গাওয়া এই গানের মাধ্যমে দর্শকরা ছবির আবেগময় মুহূর্তগুলোকে আরও গভীরভাবে অনুভব করতে পারবেন। মাইস্কিনের পরিচালনায় গঠিত এই নতুন চলচ্চিত্র ও গানের সংমিশ্রণ ট্যামিল সিনেমার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা যায়।



