22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধমেঘালয়ায় হাদির হত্যার সহায়ক দুই ব্যক্তি গ্রেফতার, ডিএমপি ভারতীয় সহযোগিতা দাবি

মেঘালয়ায় হাদির হত্যার সহায়ক দুই ব্যক্তি গ্রেফতার, ডিএমপি ভারতীয় সহযোগিতা দাবি

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে যে মেঘালয়ার পুলিশ হাদি হত্যার সঙ্গে যুক্ত দুই সহায়ককে গ্রেফতার করেছে। শিকারের নাম শারিফ ওসমান বিন হাদি, যিনি ইনকিলাব মনচো সংগঠনের মুখপাত্র ছিলেন। এই গ্রেফতারের তথ্য ডিএমপি কর্তৃক প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত হয়েছে।

শারিফ ওসমান বিন হাদি গত মাসে ঢাকার এক রাস্তায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। তার হত্যার প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম ও আলমগীর শেখ, যারা দ্রুত সীমান্ত পার হয়ে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে অনুসন্ধান চালিয়ে আসছে। প্রধান সন্দেহভাজনদের পিছু নেওয়ার প্রচেষ্টায় এখন পর্যন্ত কোনো সফল গ্রেফতার হয়নি।

ডিএমপি স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, মূল সন্দেহভাজনদের পলায়ন সম্পর্কে তাদের তথ্য বাংলাদেশে আটক হওয়া কয়েকজনের স্বীকারোক্তি এবং সীমান্তে কাজ করা বিভিন্ন সূত্রের ভিত্তিতে সংগ্রহ করা হয়েছে। স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, ফয়সাল করিম ও আলমগীর শেখ ইতিমধ্যে ভারতীয় সীমান্ত অতিক্রম করে গিয়ে নিরাপদ আশ্রয় পেয়েছেন।

ইন্ডিয়ান মিডিয়ায় প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদনে মেঘালয়ার পুলিশ ও সীমানা সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)কে এই সন্দেহভাজনদের ধরা বা তাদের সহায়কদের গ্রেফতার করার দাবি করা হয়েছিল, যা উভয় সংস্থা প্রত্যাখ্যান করেছে। তবে ডিএমপি এই তথ্যের বিপরীতে নিজস্ব অবস্থান তুলে ধরেছে।

ডিএমপির বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, “আমরা ফয়সাল করিম ও আলমগীর শেখকে সীমান্ত পার হতে সাহায্য করা কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছি। তাদের স্বীকারোক্তি থেকে স্পষ্ট হয়েছে যে অপরাধীরা ইতিমধ্যে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছে।” এই বিবৃতি অনুসারে, গ্রেফতারের মূল উদ্দেশ্য ছিল সীমান্ত পারাপার প্রক্রিয়ায় সহায়তা করা ব্যক্তিদের সনাক্ত করা।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, দুই ভারতীয় নাগরিক পুরতি ও সামি নামে পরিচিত দুই ব্যক্তিকে মেঘালয়ার কর্তৃপক্ষ ধরা পড়েছে। এই তথ্যটি সীমান্ত এলাকায় গৃহীত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডিএমপি জানিয়েছে। পুরতি ও সামি হাদি হত্যার সঙ্গে যুক্ত প্রধান সন্দেহভাজনদের গোপনীয়ভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশে সহায়তা করেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ডিএমপি উল্লেখ করেছে যে, সীমান্তে কাজ করা একাধিক সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী মেঘালয়ার পুলিশ এই দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে এবং তাদেরকে অপরাধীদের আশ্রয়স্থল খুঁজে দিতে সহায়তা করার অভিযোগে আটক করা হয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে ডিএমপি সংশ্লিষ্ট সংবাদটি প্রকাশ করেছে।

ডিএমপি আবারও জোর দিয়ে বলেছে যে, হাদি হত্যার দায়ী সকলকে আইনের শিকারে আনা হবে এবং ভারতীয় সরকারকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের উপর যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে তাদের প্রত্যর্পণ নিশ্চিত করার জন্য দুই দেশের নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সমন্বয় প্রয়োজন।

বহু বছর ধরে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে অপরাধী পালানোর ঘটনা ঘটতে দেখা যায়। এই ধরনের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে প্রত্যর্পণ চুক্তি প্রয়োগ করা হয়। ডিএমপি আশাবাদী যে, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ দ্রুত গ্রেফতারের পর প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করে অপরাধীদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠাবে।

বর্তমানে হাদি হত্যার মামলায় তদন্ত চলমান। ডিএমপি অনুসন্ধান দল নতুন সূত্র সংগ্রহের পাশাপাশি গ্রেফতারের পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার জন্য কাজ করছে। আদালতে প্রমাণ উপস্থাপন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

অপরাধের সঙ্গে সঙ্গে আর্থিক বাজারে একটি আপডেটও প্রকাশিত হয়েছে। আজ সোমবার থেকে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২,২৯,৪৩০ টাকায় বিক্রি হবে, যা পূর্বের ২,২৭,৮৫৬ টাকার তুলনায় কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বর্ণের এই মূল্য পরিবর্তন দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবকে প্রতিফলিত করে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments