20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিএনসিপি ও আটটি পার্টির নির্বাচনী জোট, আদর্শিক নয়, কেবল ভোটের সমঝোতা

এনসিপি ও আটটি পার্টির নির্বাচনী জোট, আদর্শিক নয়, কেবল ভোটের সমঝোতা

রাষ্ট্রীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কনভিনার নাহিদ ইসলাম রবিবার রাতের জরুরি সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করেছেন, তার দল ও জামায়াত‑ই‑ইসলামসহ আটটি পার্টির মধ্যে গঠিত জোটটি কেবল নির্বাচনী সমঝোতা, কোনো আদর্শিক সংযোগ নয়। তিনি উল্লেখ করেন, “In this current political situation, it is not possible for NCP to contest the elections alone. That is why we decided to form an alliance with eight like-minded parties,” এবং জোটের মূল লক্ষ্য ভোটের জন্য একসাথে কাজ করা।

এনসিপি পূর্বে স্বাধীনভাবে সব ৩০০টি সংসদীয় আসনে প্রার্থী দাখিলের পরিকল্পনা করছিল, তবে শারিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পর দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে ব্যাপক পরিবর্তন দেখা দেয়। নাহিদের মতে, “Through this incident, we realised that the forces of hegemonic aggression are still active in the country. They are still conspiring to derail the election,” ফলে তিনি বৃহত্তর ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন।

এখন এনসিপি ও তার আটটি মিত্র পার্টি একত্রে নির্বাচনে অংশ নেবে, যেখানে নির্বাচিত প্রার্থীরা নিজ নিজ পার্টির নামের বদলে জোটের নামের অধীনে প্রার্থী তালিকায় নাম নিবন্ধন করবে। নাহিদ বলেন, “NCP has agreed to the electoral understanding with them. We have decided that NCP and these eight parties will contest the election together,” এবং জোটের মধ্যে প্রার্থীর প্রস্তাবনা, প্রচার ও সমর্থন ভাগাভাগি করা হবে।

জোটের শর্তানুসারে, যেখানে এনসিপির নিজস্ব প্রার্থী নেই, সেখানে তারা মিত্র পার্টির প্রার্থীর পক্ষে ভোট দেবে। নাহিদ আরও স্পষ্ট করেন, “Participation in elections or staying in the party is a personal choice. Candidates will be chosen from those aligned with the party’s objectives and with higher chances of winning,” যা পার্টির অভ্যন্তরে স্বেচ্ছাসেবী অংশগ্রহণের নীতি তুলে ধরে।

এনসিপির মূল কর্মসূচি – সংস্কার, ন্যায়বিচার ও হেজেমনি বিরোধী – জোটের মধ্যে অক্ষুণ্ণ থাকবে। নাহিদ জোর দিয়ে বলেন, “This is not an ideological alliance; it is an electoral understanding. The NCP will continue to follow its goals and principles. For now, our focus is on electoral cooperation,” ফলে পার্টির স্বতন্ত্র নীতি ও লক্ষ্য থেকে বিচ্যুতি না ঘটিয়ে ভোটের জন্য কৌশলগত সহযোগিতা করা হবে।

এই জোটের গঠন দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে নতুন গতিপথ তৈরি করবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন। বৃহত্তর ঐক্যের মাধ্যমে ভোটের স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতা বাড়বে, এবং হেজেমনি গোষ্ঠীর প্রভাব কমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে, এনসিপি ও তার মিত্র পার্টির সমন্বিত প্রচারণা নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারে, যা ভবিষ্যতে পার্টির রাজনৈতিক অবস্থানকে শক্তিশালী করবে।

প্রেস সম্মেলনের পর এনসিপি অফিসে জোটের কার্যকরী পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। নির্বাচনী ফর্ম জমা, প্রচারমূলক কার্যক্রম ও ভোটার সংযোগের জন্য একটি সমন্বিত টাস্ক ফোর্স গঠন করা হবে। নাহিদ উল্লেখ করেন, “In this changed context, we feel that broader unity is necessary to ensure a fair and competitive election. With that urgency in mind, we have held discussions with Jamaat-e-Islami and its alliance of eight parties,” যা জোটের কৌশলগত দিককে স্পষ্ট করে।

এনসিপি ও তার আটটি পার্টির এই সমঝোতা দেশের রাজনৈতিক সমতা বজায় রাখতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে। ভোটের সময়সীমা নিকটবর্তী হওয়ায়, জোটের কার্যকরী বাস্তবায়ন ও প্রার্থীদের নির্বাচন প্রক্রিয়া দেশের নির্বাচনী পরিবেশে কী প্রভাব ফেলবে তা সময়ই বলবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments