28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধমাদ্রাসা বিস্ফোরণ মামলায় ছয়জনকে রিমান্ড, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার

মাদ্রাসা বিস্ফোরণ মামলায় ছয়জনকে রিমান্ড, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার

কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় মাদ্রাসা বিস্ফোরণের তদন্তে নতুন তিনজনের গ্রেপ্তার হয় এবং মোট ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়। রোববার সন্ধ্যায় ঢাকা উচ্চ আদালতে মামলার রিম্যান্ডের আবেদন শোনা হয়। আদালত রিম্যান্ডের শর্ত নির্ধারণের পর সংশ্লিষ্টদের হেফাজতে রাখা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মাদ্রাসার পরিচালক আল আমিনের স্ত্রী আছিয়া বেগম, তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার, এবং আসমানী খাতুন অন্তর্ভুক্ত। পুরুষ অভিযুক্তদের মধ্যে শাহীন (যাকে আবু বকর নামেও জানা যায়), আমিনুর (দর্জি আমিন নামে পরিচিত) এবং শাফিয়ার রহমান ফকির আছেন। মোট ছয়জনের মধ্যে তিনজন নারী এবং তিনজন পুরুষ।

হেফাজতে নেওয়া অভিযুক্তদের রিম্যান্ডের আবেদন ঢাকা অ্যাডিশনাল চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুর রহমানের সামনে উপস্থাপন করা হয়। বিচারক রিম্যান্ডের সময়সীমা নির্ধারণের জন্য প্রমাণ-প্রসঙ্গ ও আইনি দিক বিবেচনা করেন। রিম্যান্ডের শর্তে নারী অভিযুক্তদের তিন দিন এবং পুরুষদের সাত দিন হেফাজতে রাখা হয়।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই বিশ্বজিৎ দেবনাথ রিম্যান্ডের বিস্তারিত তথ্য আদালতে উপস্থাপন করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে রিম্যান্ডের সময়সীমা তদন্তের প্রয়োজনীয়তা এবং সাক্ষ্য সংগ্রহের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়েছে। রিম্যান্ডের শর্তে অভিযুক্তদের পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ এবং প্রমাণ সংগ্রহের সুযোগ থাকবে।

আসামীর বয়স ও পরিচয় নিম্নরূপ: আছিয়া বেগম, ২৮ বছর; ইয়াসমিন আক্তার, ৩০ বছর; আসমানী খাতুন, ৩৪ বছর; শাহীন (আবু বকর), ৩২ বছর; আমিনুর (দর্জি আমিন), ৫০ বছর; শাফিয়ার রহমান ফকির, ৩৬ বছর। নাম ও বয়সের সঠিক উল্লেখ আইনি নথিতে অন্তর্ভুক্ত।

রিম্যান্ডের শর্তে নারী অভিযুক্তদের তিন দিন এবং পুরুষদের সাত দিন হেফাজতে রাখা হয়েছে, যা তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী পরিবর্তন হতে পারে। রিম্যান্ডের সময়সীমা শেষ হলে আদালত পুনরায় শোনার তারিখ নির্ধারণ করবে। এই সময়ে অভিযুক্তদের আইনগত প্রতিনিধিত্বের অধিকার বজায় থাকবে।

মামলাটি এখনও চলমান এবং তদন্তকারী দল বিস্ফোরণের কারণ ও দায়িত্ব নির্ধারণে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে, অতিরিক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য forensic বিশ্লেষণ এবং সাক্ষী সংগ্রহের প্রয়োজন রয়েছে।

পরবর্তী শুনানিতে রিম্যান্ডের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর আদালত রায় প্রদান বা অতিরিক্ত রিম্যান্ডের আদেশ দিতে পারে। মামলার অগ্রগতি ও রায়ের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই প্রক্রিয়ায় আইনগত প্রোটোকল মেনে চলা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments