27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাকুড়িগ্রামে ১৫ বছর পর মাধ্যমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামে ১৫ বছর পর মাধ্যমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রাম জেলার শিক্ষার্থীরা আজ রবিবার, ১৫ বছর পর, মাধ্যমিক স্তরের বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। এই পরীক্ষা দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতোই একই দিনে অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

২০১০ সাল থেকে বন্ধ থাকা এই বৃত্তি পরীক্ষা দীর্ঘ ১৫ বছর পর পুনরায় চালু হয়েছে। দীর্ঘ সময়ের পর পুনরায় শুরু হওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দের ছাপ দেখা গেছে। সরকারী শিক্ষা নীতির অংশ হিসেবে এই পুনরায় চালু করা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

এই বছর কুড়িগ্রাম জেলার মোট নয়টি উপজেলায় ৬,৩৩৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছে। এর মধ্যে ৩৪২ জন অনুপস্থিত ছিলেন, ফলে উপস্থিতির হার বেশ উচ্চ। বিভিন্ন ধরণের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা সমানভাবে বিতরণ হয়েছে।

পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দাখিল মাদরাসা, কারিগরি বিদ্যালয় এবং ইবতেদায়ী মাদরাসা অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান থেকে নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষার্থী আবেদন করেছিল। এই বৈচিত্র্য শিক্ষার সমন্বিত বিকাশের লক্ষ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী সংখ্যা ৪,০৯৬, যার মধ্যে ১৪৯ জন অনুপস্থিত ছিলেন। বাকি শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষায় উপস্থিত হয়। বিদ্যালয় ভিত্তিক অংশগ্রহণের এই পরিসংখ্যান স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রস্তুতি নির্দেশ করে।

মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে পুরুষ শিক্ষার্থী ১,৬৪৯ এবং নারী শিক্ষার্থী ২,২৯৮ ছিলেন। নারীর অংশগ্রহণের হার তুলনামূলকভাবে বেশি, যা লিঙ্গ সমতা প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ বলা যায়। এই সংখ্যা ভবিষ্যতে শিক্ষার সমতা বাড়াতে সহায়ক হবে।

কুড়িগ্রাম সদরের মধ্য কুমরপুর গার্লস স্কুলের এক শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, এই পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের মেধা সঠিকভাবে মূল্যায়ন হবে। তিনি শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

একজন অভিভাবক দীর্ঘ সময়ের পর পুনরায় চালু হওয়া পরীক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, পূর্বে মেধার সঠিক মূল্যায়ন না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের সম্ভাবনা সীমাবদ্ধ ছিল। তিনি সকল শিক্ষা কর্মকর্তাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

যাত্রাপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকও পরীক্ষায় অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে কয়েকজন শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে। তার মতে, এই সুযোগ শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।

কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিসার পরীক্ষা পরিচালনায় নকলমুক্ত এবং সুশৃঙ্খল পরিবেশের প্রশংসা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, আজকের শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে দেশের বিভিন্ন দপ্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। শিক্ষার্থীদের জন্য সময়মতো প্রস্তুতি, সঠিক সময়সূচি অনুসরণ এবং আত্মবিশ্বাস বজায় রাখা সফলতার মূল চাবিকাঠি।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments