জাতীয় প্রেসক্লাবে রবিবার বিকেলে জামায়াত‑ইসলামি ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ নির্বাচনী আসন ভাগাভাগির জন্য আলোচনা করেন। উভয় দল একত্রে একক প্রার্থী নির্ধারণের লক্ষ্যে সমঝোতা টেবিলে বসে, আসন্ন নির্বাচনের জন্য কৌশলগত জোট গড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে। এই আলোচনার মূল বিষয় ছিল কোন আসন থেকে কোন দল প্রার্থী দেবে এবং কীভাবে ভোটভাগের সমন্বয় করা হবে।
প্রেসক্লাবে জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান জরুরি সংবাদ সম্মেলন পরিচালনা করেন এবং এলডিপি ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে সমঝোতা নিশ্চিত করার কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, পূর্বে সাতটি দল একত্রে একক প্রার্থী নির্ধারণের জন্য আলোচনা চালিয়ে আসছে, আর এখন এনসিপি ও এলডিপি যুক্ত হয়ে মোট দশ দল একসঙ্গে কাজ করবে। সমঝোতার ফলস্বরূপ প্রতিটি আসনে একক প্রার্থী থাকবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, যিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় ‘বীর বিক্রম’ উপাধি পেয়েছেন, আজকের আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন যদিও কোনো মন্তব্য করেননি। তিনি ১৯৮০ সালে সেনাবাহিনীর চাকরি ছেড়ে রাজনৈতিক মঞ্চে প্রবেশ করেন এবং ১৯৯১‑১৯৯৬ পর্যন্ত বিএনপির সরকারে যোগাযোগমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৬ সালে তিনি নিজের দল, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) গঠন করেন এবং তখন থেকে পার্টির সভাপতি হিসেবে কাজ করছেন।
অলি আহমদের রাজনৈতিক যাত্রা তার সামরিক ক্যারিয়ার থেকে শুরু হয়; মুক্তিযুদ্ধে সাবসেক্টর কমান্ডার হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। যুদ্ধের পর তিনি সেনা ত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দেন এবং দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হন। তবে ২০০৬ সালে তিনি নিজের স্বতন্ত্র রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করতে এলডিপি প্রতিষ্ঠা করেন।
এলড



