19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিলিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি ও ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি জামায়াতে-ইসলামি‑নেতৃত্বাধীন আট‑দলীয় জোটে যোগ দিল

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি ও ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি জামায়াতে-ইসলামি‑নেতৃত্বাধীন আট‑দলীয় জোটে যোগ দিল

জাতীয় প্রেস ক্লাবে আজ অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জামায়াতে‑ইসলামির আমির শফিকুর রহমান ঘোষণা করেন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ও ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) উভয়ই জামায়াতে‑ইসলামি‑নেতৃত্বাধীন আট‑দলীয় জোটে যুক্ত হয়েছে। এ দু’টি দল যথাক্রমে অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদ ও নাহিদ ইসলাম নেতৃত্বে রয়েছে। এই ঘোষণার মাধ্যমে জোটের সদস্যসংখ্যা আট থেকে দশে বৃদ্ধি পায়, যা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এলডিপি, যা সাম্প্রতিক সময়ে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় স্তরে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে, এখন জামায়াতে‑ইসলামির সঙ্গে সমন্বয় করে নির্বাচনী কৌশল গড়ে তুলবে। একই সময়ে, এনসিপি, যার মূল ভিত্তি শহুরে মধ্যবিত্ত ও পেশাজীবী গোষ্ঠী, জোটের নীতি সমন্বয়ে অংশ নেবে। উভয় পার্টি জোটের মূল লক্ষ্যকে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায়বিচার হিসেবে তুলে ধরেছে।

শফিকুর রহমান জানান, জোটের ৩০০টি সংসদীয় আসনের জন্য প্রায় সম্পূর্ণ প্রার্থী তালিকা প্রস্তুত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন দলের মধ্যে বিস্তৃত আলোচনার মাধ্যমে প্রার্থীদের নির্বাচন করা হয়েছে এবং বাকি কাজগুলো প্রার্থীর নাম নিবন্ধনের পর সম্পন্ন হবে। এই তালিকা প্রস্তুতিতে জোটের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় ও সমঝোতা প্রক্রিয়া উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে, যা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত করবে।

এনসিপি নেতারা আজকের সম্মেলনে উপস্থিত না থাকলেও, শফিকুর রহমান স্পষ্ট করে বলেন, সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে তারা সরাসরি অংশ নিতে পারেননি। তবে, এনসিপি নেতৃত্ব জোটে যোগদানের সিদ্ধান্ত স্পষ্টভাবে জানিয়েছে এবং শীঘ্রই মিডিয়ার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশের পরিকল্পনা করেছে। এই পরিস্থিতি জোটের অভ্যন্তরীণ সংহতি বজায় রাখার পাশাপাশি, নতুন সদস্যদের মতামতকে সম্মানজনকভাবে অন্তর্ভুক্ত করার ইঙ্গিত দেয়।

জোটের মূল কাঠামোতে বর্তমানে জামায়াতে‑ইসলামি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ জয়েন্ট ফ্রন্ট, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিএনপি), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিএনপি), এবং অন্যান্য ছোট দল অন্তর্ভুক্ত। অতিরিক্ত দুইটি দল যুক্ত হওয়ায় জোটের রাজনৈতিক পরিসর ও ভোটার ভিত্তি বিস্তৃত হয়েছে। এই সম্প্রসারণের ফলে জোটের ভোটাভুটি কৌশল, বিশেষ করে গ্রামীণ ও শহুরে এলাকায়, নতুন মাত্রা পাবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, দশটি দলের সমন্বয়ে গঠিত এই জোটের প্রার্থী তালিকা যদি সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করা হয়, তবে এটি প্রধান বিরোধী দলগুলোর ওপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে, নির্বাচনের পূর্ববর্তী সময়ে জোটের সমন্বিত প্রচারণা ও সংহত নীতি প্রয়োগের মাধ্যমে ভোটারদের মনোভাব পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, নতুন সদস্যদের অন্তর্ভুক্তি ও প্রার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জোটের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হবে।

অবশেষে, শফিকুর রহমান জোটের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বলেন, প্রার্থীর নাম নিবন্ধনের পর বাকি কাজগুলো ন্যায়সঙ্গত ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হবে এবং জোটের লক্ষ্য হবে দেশের উন্নয়ন ও জনমঙ্গলের জন্য কার্যকরী সরকার গঠন। এই ঘোষণার পর, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক ও ভোটার উভয়ই জোটের পরবর্তী পদক্ষেপ ও নির্বাচনী কৌশল সম্পর্কে মনোযোগী হয়ে থাকবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments